বিসিসিআইকে আরও কঠোর হওয়ার পরামর্শ কপিল দেবের

ভারতীয় ক্রিকেট
কপিল দেব
কপিল দেব
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
ক্রিকফ্রেঞ্জি ডেস্ক
টেস্ট ক্রিকেটে সময়টা মোটেই ভালো যাচ্ছে না ভারতের। তারা সম্প্রতি নিউজিল্যান্দের বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজ হেরেছে। এরপর সাউথ আফ্রিকার বিপক্ষে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ হারের স্বাদ পেয়েছে ভারত। দলটির সাবেক অধিনায়ক কপিল দেব মনে করেন ভারত সাম্প্রতিক সময়ে অনেক বেশি ওয়ানডে ও টি-টোয়েন্টি খেলে ফেলছে।

এরই প্রভাব পড়েছে টেস্টের পারফরম্যান্সে। তার মতে, টেস্ট ক্রিকেট সম্পূর্ণ ভিন্ন ধরনের খেলা। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে আসন্ন টেস্ট সিরিজে ভারতকে আরও ভালোভাবে মানিয়ে নিয়ে খেলতে হবে। এমনটাই পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

টাইমস অব ইন্ডিয়াকে কপিল বলেন, ‘ভারত সম্প্রতি স্পিন বোলিংয়ের বিপক্ষে নিজেদের সেরা অবস্থায় নেই, কারণ তারা অনেক বেশি টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে খেলে। টেস্ট ক্রিকেট সম্পূর্ণ ভিন্ন বলগেম। তবে আমি আশা করি, তারা নিজেদের গুছিয়ে শ্রীলঙ্কায় আরও ভালো খেলবে।’

১৫ আগস্ট থেকে গলে শুরু হবে ভারত ও শ্রীলঙ্কার দুই টেস্টের সিরিজ। গলের স্পিন সহায়ক উইকেটে সফরকারী ভারতের জন্য এটি আরেকটি কঠিন পরীক্ষা হতে পারে। স্পিনের বিপক্ষে দক্ষতা বাড়াতে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলার গুরুত্বও তুলে ধরেছেন কপিল। ভারতের শীর্ষ ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেটে পর্যাপ্ত ম্যাচ না খেলাকে এ ক্ষেত্রে বড় কারণ হিসেবে দেখছেন তিনি।

কপিল বলেন, ‘ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। ভারতীয় দল স্পিনের বিপক্ষে সমস্যায় পড়ার একটি কারণ হলো, শীর্ষ খেলোয়াড়েরা পর্যাপ্ত ঘরোয়া ক্রিকেট খেলেন না। এ জায়গায় বিসিসিআইয়ের কঠোর হওয়া উচিত এবং সবাইকে তিন ও চার দিনের ম্যাচ খেলানো উচিত। এর আরেকটি দিক হলো, ঘরোয়া ক্রিকেটে তরুণ প্রজন্ম শীর্ষ খেলোয়াড়দের কাছ থেকে শেখার সুযোগ পাবে।’

স্পিনের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের ব্যস্ত সূচিতে পেস বোলারদের ওপর অতিরিক্ত চাপ নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন কপিল। তার ধারণা পেসারদের শারীরিক সক্ষমতা ও কাজের চাপের বিষয়টি বিসিসিআইকে গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করতে হবে।

কপিল বলেন, ‘প্রত্যেকের নিজের শরীর সম্পর্কে জানা উচিত। অনেক বেশি টি-টোয়েন্টি ও ওয়ানডে ক্রিকেট হচ্ছে, তাই শরীরের ওপর এর কী প্রভাব পড়ছে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। আমাদের শরীর আসলে ফাস্ট বোলিংয়ের জন্য তৈরি নয়। আমাদের শরীর ব্যাটসম্যান হওয়ার জন্য বেশি উপযোগী। ফাস্ট বোলারদের কতটা কাজের চাপ দেওয়া হবে, বিসিসিআইয়ের সেটি দেখা উচিত।’

আরো পড়ুন: