জুনে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নেন বেন স্টোকস। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ হারের পর ইংল্যান্ডের টেস্ট দলের নেতৃত্বের দায়িত্ব দেয়া হয় ৩৫ বছর বয়সী রুটকে। ২০১৭ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত ৬৫টি টেস্টে ইংল্যান্ডকে নেতৃত্ব দেওয়া রুট এবার নতুন করে সবকিছু শুরু না করে আগের ভিত্তির ওপর দাঁড়িয়েই দলকে এগিয়ে নিতে চান।
রুট ইসিবির প্রকাশিত এক ভিডিওতে বলেন, ‘২০২২ সালের পর থেকে আমরা যেসব ভালো কাজ করেছি, সেগুলো ধরে রাখার চেষ্টা করব। একই সঙ্গে বাজ ও বেন দায়িত্ব নেওয়ার আগে আমরা যে জায়গায় ছিলাম, সেখানে যেন আর ফিরে যেতে না হয়, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। আমাদের এগিয়ে যেতে হবে, প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনতে হবে এবং নিজেদের এমন জায়গায় নিয়ে যেতে হবে, যেখানে দীর্ঘ সময় ধরে বিশ্বের সেরা দলগুলোর বিপক্ষে ধারাবাহিকভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারব।’
গত চার বছরে গড়ে ওঠা সংস্কৃতিকে পুরোপুরি ভেঙে ফেলা ঠিক হবে না বলেও মনে করেন রুট। তার ভাষায়, ‘গত চার বছরে আমরা যা করেছি, তার সবকিছু একেবারে ভেঙে ফেলা হবে সবচেয়ে ভুল সিদ্ধান্ত। বেন ও ব্রেন্ডন অনেক ভালো কাজ করেছেন। তারা আমাদের খেলাটাকে দেখার দৃষ্টিভঙ্গিই বদলে দিয়েছেন। তবে এমন কিছু জায়গা আছে, যেখানে আমরা আরও ধারালো হতে চাই এবং কিছুটা বেশি কঠোর হতে চাই।’
বৃহস্পতিবার ইংল্যান্ড তাদের নতুন টেস্ট প্রধান কোচ হিসেবে স্টিফেন ফ্লেমিংয়ের নাম ঘোষণা করেছে। ব্রেন্ডন ম্যাককালামকে লাল বলের ক্রিকেটের দায়িত্ব থেকে সরিয়ে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে নিউজিল্যান্ডের সাবেক অধিনায়ককে। রুট জানিয়েছেন, ফ্লেমিংয়ের নিয়োগই দ্বিতীয়বার টেস্ট অধিনায়কত্ব গ্রহণের অন্যতম বড় কারণ।
তিনি বলেন, ‘খোলাখুলি বলতে গেলে, আমি এই দায়িত্ব নিতে চাওয়ার পেছনে বড় একটি কারণ ছিলেন তিনি। তিনি খেলাটাকে যেভাবে দেখেন, আমাদের দলকে যেভাবে মূল্যায়ন করেন এবং আমরা যেখানে পৌঁছাতে চাই, সেখানে যেতে কী ধরনের কাজ করতে হবে, সে ভাবনাগুলো নিয়ে আমি দারুণ রোমাঞ্চিত।’
পাকিস্তানের বিপক্ষে ১৯ আগস্ট হেডিংলিতে শুরু হতে যাওয়া টেস্ট সিরিজে ফ্লেমিং দায়িত্বে থাকবেন না। ওই সিরিজে অন্তর্বর্তীকালীন প্রধান কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন মার্কাস ট্রেসকোথিক। গ্রীষ্মের শেষ দিকে সাউথ আফ্রিকা সফরের প্রস্তুতি শুরু করবেন ফ্লেমিং। ফলে ফ্লেমিংকে ছাড়াই রুটের দ্বিতীয় অধ্যায় শুরু করতে হচ্ছে।