সাউথ আফ্রিকার সাবেক উইকেটরক্ষক এবি ডি ভিলিয়ার্স অবশ্য মনে করেন, এই ব্যর্থতা ভারতের জন্য ইতিবাচক বার্তাও হতে পারে। তার মতে, এমন ফলাফল দলকে বাস্তবতা বুঝতে সাহায্য করবে। একই সঙ্গে প্রধান কোচ গৌতম গম্ভীরের নেতৃত্বে দলকে নতুনভাবে গড়ে তোলার সুযোগও তৈরি হয়েছে।
ডি ভিলিয়ার্স বলেন, 'দলকে নিয়ে উদ্বেগের কারণ আছে। অনেকেই গৌতম গম্ভীরের দিকে আঙুল তুলবেন। তবে এই ধাক্কাটা হয়তো খারাপ নয়। আইপিএলে অনেক রান করার পর ক্রিকেটারদের আবার বাস্তবতার মাটিতে ফিরিয়ে আনতে হবে।'
তিনি আরও বলেন, 'আন্তর্জাতিক ক্রিকেট একেবারেই আলাদা। এখানে দুর্বলতার সুযোগ খুব কম। আইপিএলে এমন বোলার থাকে, যাদের বিপক্ষে সহজে রান করা যায়। কিন্তু আন্তর্জাতিক পর্যায়ে লুকিয়ে থাকার জায়গা নেই। তাই একটি নয়, একাধিক উপায়ে ব্যাটিং করার সামর্থ্য থাকতে হবে।'
সম্প্রতি ঘরোয়া প্রতিযোগিতায় বৈভব সূর্যবংশী, অভিষেক শর্মা, সাঞ্জু স্যামসন ও তিলক ভার্মা দারুণ পারফরম্যান্স করলেও আয়ারল্যান্ড ও ইংল্যান্ড সফরে সেই ধারাবাহিকতা ধরে রাখতে পারেননি। স্যামসনের চার ইনিংসের তিনটিই শেষ হয়েছে এক অঙ্কের রানে। অন্যদিকে, আইপিএলে সাত শতাধিক রান করা সূর্যবংশীও তিন ইনিংসের কোনোটিতেই পনেরো রান স্পর্শ করতে পারেননি।
ডি ভিলিয়ার্সের ভাষায়, 'ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ৪-০ ব্যবধানে হার দেখতে কষ্ট হয়েছে। এমন ফল আশা করিনি, যদিও অভিজ্ঞতার অভাবের কথা মাথায় এলে বিস্মিতও হইনি। এই সময় নেতৃত্বের গুরুত্ব আরও বেড়ে যায়। শুধু গৌতম গম্ভীরকে দায়ী করলে হবে না। তার অবশ্যই বড় ভূমিকা আছে, তবে এই দলকে সময়ও দিতে হবে।'