টানা তৃতীয় জয়ে সিরিজও নিশ্চিত করেছে স্বাগতিকরা। বিপরীতে আয়ারল্যান্ডের পর ইংল্যান্ডের বিপক্ষেও টি-টোয়েন্টি সিরিজ হারল ভারত। ২০১৯ সালের পর এবারই প্রথম টানা দুই সিরিজ হারল তারা। সেবার ভারত হেরেছিল নিউজিল্যান্ড ও অস্ট্রেলিয়ার কাছে। এদিকে অধিনায়ক হিসেবে এখনো জয়ের দেখা মেলেনি আইয়ারের।
ব্রিস্টলে রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি ইংল্যান্ডের। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই ফেরেন জস বাটলার। আর্শদীপের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে খোঁচা দিতে গিয়ে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছেন ইংলিশ ওপেনার। মাত্র ৮ রান করেই ফিরতে হয় ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটারকে। বাটলার ফেরার পর ভারতীয় বোলারদের বিপক্ষে দ্রুত রান তুলতে থাকেন স্বাগতিক ব্যাটাররা। সল্ট একটু ধীরগতির হলেও চার-ছক্কায় সফরকারীদের চাপে ফেলেন ব্রুক।
ঝড়ো ব্যাটিংয়ে ২১ বলে পেয়েছেন হাফ সেঞ্চুরিও। সল্ট পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন ৩৪ বলে। শেষ পর্যন্ত ৪০ বল বাকি থাকতেই তারা দুজনে মিলে ইংল্যান্ডের জয় নিশ্চিত করেন। ৮ চার ও ৪ ছক্কায় মাত্র ৩৫ বলে ৭৯ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন অধিনায়ক ব্রুক। ৯ চার ও এক ছক্কায় সল্টের ব্যাট থেকে এসেছে ৪২ বলে ৫৯ রান। ভারতের হয়ে একমাত্র উইকেটটি নিয়েছেন আর্শদীপ।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ভালো শুরুর আভাস দিয়েছিলেন সূর্যবংশী। তবে আইপিএলে বিস্ময় জাগানো ১৫ বছর বয়সী ওপেনার আবারও ব্যর্থ হয়েছেন। জফরা আর্চারের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফিরেছেন ১৫ রানে। প্রায় একইভাবে আউট হয়েছেন ইশানও। আদিল রশিদকে ছক্কা মারার চেষ্টায় টাইমিংয়ে গড়বড় করে ফিরেছেন অভিষেকও। টপ অর্ডারের তিন ব্যাটারকে হারিয়ে বিপাকে পড়ে ভারত।
সফরকারীদের টেনে তোলার দায়িত্ব নেন আইয়ার ও শিভাম দুবে। যদিও ধীরগতির ব্যাটিংয়ে দুবে ২২ রানের বেশি করতে পারেননি। ৩৩ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন আইয়ার। ভারতের অধিনায়ক শেষ পর্যন্ত অপরাজিত ছিলেন ৪৯ বলে ৮০ রানের ইনিংস খেলে। চারটি চার ও পাঁচটি ছক্কা মেরেছেন ডানহাতি এই ব্যাটার। আইয়ারের এমন ইনিংসেই ৭ উইকেটে ১৫৮ রান তোলে ভারত। ইংল্যান্ডের হয়ে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন আর্চার ও জশ টাং।