আইপিএলের সবশেষ আসরে ব্যাট হাতে রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়েছেন সূর্যবংশী। মারকাটারি ব্যাটিংয়ে পুরো ক্রিকেট দুনিয়াকে অবাক করেছেন ১৫ বছর বয়সী এই ব্যাটার। সাতশর বেশি রান করে জিতেছেন টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কারও। টেন্ট্র বোল্ট, জশ হ্যাজেলউড, মোহাম্মদ সিরাজ, প্যাট কামিন্সদের মতো বিশ্বমানের বোলারদের বলেকয়ে ছক্কা মেরেছেন তিনি।
অবিশ্বাস্য পারফরম্যান্সের পর সুযোগ পেলে ভারতের টি-টোয়েন্টি দলেও। ধারণা করা হচ্ছিল, আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজে অভিষেক হবে সূর্যবংশীর। তবে একটি ম্যাচেও তাকে খেলায়নি ভারত। শ্রেয়াস আইয়ার তখন নিশ্চিত করেছিলেন, আরও কিছুটা সময় অপেক্ষা করতে হবে তাকে। খেলানো হয়নি ইংল্যান্ডের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টিতেও।
সাঞ্জু স্যামসনের অফফর্মে অবশ্য দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতেই কপাল খুলে সূর্যবংশীর। টসের আগেই তিলক ভার্মা জাতীয় দলের অভিষেক ক্যাপ বাঁহাতি ব্যাটারের হাতে তুলে দেয়। যদিও অভিষেকটা রাঙাতে পারেননি তিনি। অভিষেক শর্মার সঙ্গে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন ১৫ বছর বয়সী সূর্যবংশী।
স্ট্রাইক পেয়েছিলেন ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে। জশ টাংয়ের প্রথম দুই বলে অবশ্য ব্যর্থ হয়েছেন। তৃতীয় বলে গিয়ে নিয়েছেন সিঙ্গেল। পরের ওভারের প্রথম বলেই জফরা আর্চারকে ফাইন লেগ দিয়ে উড়িয়ে ছক্কা মারেন। চতুর্থ ওভারে ছক্কা মেরেছেন টাংয়ের বলেও। দুই ছক্কায় ভালো শুরুর আভাস দিলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি।
পাওয়ার প্লের শেষ ওভারে আউট হয়েছেন উইল জ্যাকসের বলে। ডানহাতি অফ স্পিনারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন সূর্যবংশী। তবে ব্যাটে-বলে করতে না পারায় স্টাম্পিং হয়ে ফিরতে হয় তাকে। টি-টোয়েন্টি অভিষেকে সূর্যবংশীকে ড্রেসিং রুমে ফিরতে হয় ১০ বলে ১৪ রানের ইনিংস খেলে।