স্যার ভিভিয়ান রিচার্ডস স্টেডিয়ামে এক উইকেটে ১৫ রান নিয়ে চতুর্থ দিনের খেলা শুরু করে শ্রীলঙ্কা। দিনের প্রথম ওভারেই নিশান মাদুশকার উইকেট হারায় সফরকারীরা। রোচের অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন মাদুশকা। পরের ওভারে আউট হয়েছেন নাইটওয়াচম্যান কাসুন রাজিথা। জেডেন সিলসের দুর্দান্ত ডেলিভারিতে ক্যাচ দিয়েছেন তৃতীয় স্লিপে।
১৯ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পগে শ্রীলঙ্কা। সেখান থেকে অবশ্য টেনে তোলার চেষ্টা করেছিলেন দীনেশ চান্দিমাল ও কামিন্দু মেন্ডিস। তবে তাদের দুজনের জুটি জমতে দেননি শামার জোসেফ। ডানহাতি পেসারের ফুল ডেলিভারিটা ছেড়ে দিতে চেয়েছিলেন কামিন্দু। সেটা করতে গিয়েই বোল্ড হয়ে ফিরতে হয় ৯ রান করে। দলের রান পঞ্চাশ হওয়ার আগে ফিরেছেন ধনঞ্জয়া ডি সিলভা।
শ্রীলঙ্কার অধিনায়ককেও ফেরান শামার। কুশল মেন্ডিস ও চান্দিমাল মিলে চেষ্ট করেছিলেন দলকে এগিয়ে নেওয়ার। তবে মাত্র ৮ রান করে ফিরতে হয় মেন্ডিসকে। আলজারি জোসেফের ইনসুইং ডেলিভারিতে খেলার চেষ্টাই করেননি ডানহাতি উইকেটকিপার ব্যাটার। আলজারির ভেতরে ঢোকা সেই ডেলিভারিতে তাই বোল্ড হয়ে ফিরতে হয় তাকে। একটু পর চান্দিমালকে ফেরান রোচ।
৩৭ বছর বয়সী পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে এজ হয়ে প্রথম স্লিপে ক্যাচ দেন শ্রীলঙ্কার হয়ে সর্বোচ্চ ৬০ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলা চান্দিমাল। সুবিধা করে উঠতে পারেননি মিলান রত্নায়েকেও। পেসার আসিথাকে বোল্ড করে টেস্টে ৩০০ উইকেটের মাইলফলক স্পর্শ করেন রোচ। ওয়েস্ট ইন্ডিজের পঞ্চম পেসার হিসেবে এমন কীর্তি গড়েছেন তিনি। তিনশ উইকেট নিতে তাকে খেলতে হয়েছে ৮৯ টেস্ট।
রোচের আগে ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে তিনশ উইকেট নেওয়ার কীর্তি আছে কোর্টনি ওয়ালশ, কার্টলি অ্যামব্রোস, ম্যালকম মার্শাল ও রিচার্ড গিবসের। শেষ ব্যাটার হিসেবে লাহিরু কুমারাকে ফিরিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের জয় নিশ্চিত করেন সিলস। ওয়েস্ট ইন্ডিজের হয়ে সবগুলো উইকেটই নিয়েছেন পেসাররা। এদিকে ব্যাট হাতে ১৯ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৭৩ বলে ২৩৩ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচসেরা হয়েছেন আমির জাঙ্গু।