ম্যাচটিতে ৫৬ বলে অপরাজিত ১০০ রান করেন পোলার্ড। যদিও তার দল হারে, তবু ব্যক্তিগত অর্জনের দিক থেকে দিনটি ছিল বিশেষ। ৭৩৬ ম্যাচে তার মোট রান দাঁড়ায় ১৪ হাজার ৫৮২, যা তাকে এই সংস্করণের ইতিহাসে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহকের আসনে বসিয়েছে। এর মধ্য দিয়ে গেইলের দীর্ঘ ১২ বছরের শীর্ষস্থানও শেষ হয়েছে।
এই অর্জন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে পোলার্ড বলেন, 'ক্রিস গেইলকে পেছনে ফেলা বিশেষ কিছু। ওয়েস্ট ইন্ডিজে আমরা দীর্ঘ সময় তাকে অনুসরণ করেছি। ক্রিকেটের সব ধরনের খেলাতেই সে অসাধারণ সাফল্য পেয়েছে। তাই ইউনিভার্স বসের কাছে দুঃখ প্রকাশ করতেই হয়, তবে এখন আমরা দুজনই শীর্ষে আছি।'
দীর্ঘ ক্যারিয়ারে অধিকাংশ সময় নিচের দিকে ব্যাট করেছেন পোলার্ড। সেই দায়িত্বকেই নিজের শক্তিতে পরিণত করার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, 'ছয় বা সাত নম্বরে ব্যাট করা খুব কঠিন। তবে কাউকে না কাউকে কঠিন কাজটা করতেই হয়। সবাই ওপরে ব্যাট করতে চায়, কিন্তু একটি দলে সবারই আলাদা দায়িত্ব থাকে। আমার কাজ ছিল ম্যাচ শেষ করে আসা, আর আমি সেটাকে সাদরে গ্রহণ করেছি।'
ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেটকে গুরুত্ব দেয়ার কারণে একসময় পোলার্ড, গেইল ও ডোয়েন ব্রাভোদের নানা সমালোচনার মুখে পড়তে হয়েছিল। তবে সেই সিদ্ধান্ত নিয়ে আজও কোনো আক্ষেপ নেই পোলার্ডের। বরং তিনি মনে করেন, তারাই নতুন একটি পথের সূচনা করেছিলেন।
এ প্রসঙ্গে পোলার্ড বলেন, 'আমরা ঝুঁকি নিয়েছিলাম এবং এজন্য অনেক সমালোচনা শুনতে হয়েছে। এখন দেখা যাচ্ছে, অনেক ক্রিকেটার অল্প বয়সেই আন্তর্জাতিক ক্রিকেট ছাড়ছেন ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট খেলার জন্য। কারণ ক্রিকেট এখন শুধু খেলা নয়, এটি একটি ব্যবসাও। সময় বদলাচ্ছে, ক্রিকেটও বদলাচ্ছে। আমরা সেই পরিবর্তনটা দেখেছি এবং তার অংশ হতে পেরেছি বলেই আনন্দিত।'