মামলাটির সূত্রপাত হামিজা মুখতার নামের এক নারীর অভিযোগ থেকে। তার আবেদনের ভিত্তিতে নিম্ন আদালতের একজন বিচারিক কর্মকর্তা বাবরের বিরুদ্ধে মামলা নেয়ার নির্দেশ দেন। অভিযোগে বলা হয়, বিয়ের প্রতিশ্রুতি দিয়ে সম্পর্ক গড়ে তোলার পর একপর্যায়ে ওই নারী গর্ভবতী হন।
এই বিষয়ে আট পৃষ্ঠার বিস্তারিত আদেশ দেন আদালত। বিচারপতি আসজাদ জাভেদ ঘারাল মামলার নথি ও উভয় পক্ষের বক্তব্য পর্যালোচনা করে দেখেন, অভিযোগগুলোর পক্ষে যথেষ্ট ভিত্তি নেই। শুনানি শেষে আগের নির্দেশ বাতিল করে দেয়া হয়।
আদালত আরও উল্লেখ করেন, প্রাথমিক পর্যায়ে প্রয়োজনীয় যাচাইবাছাই না করেই মামলা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। এই ধরনের সিদ্ধান্ত আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে সঠিক ছিল না বলেও পর্যবেক্ষণ তুলে ধরা হয়।
এই রায়ের ফলে বাবরের বিরুদ্ধে আনা যৌন হয়রানি ও চাপ প্রয়োগের অভিযোগের আইনগত সমাপ্তি ঘটেছে। সব অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ায় এখন তার সামনে আর কোনো আইনি জটিলতা নেই। বর্তমানে তিনি পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ব্যস্ত সময় পার করছেন।