বিশেষ করে ২০২৫ সালে ভারতের সফরে হতাশাজনক পারফরম্যান্স এবং পাকিস্তানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ব্যর্থতার পর ইংল্যান্ডের সাদা বলের দল থেকে বাদ পড়েন লিভিংস্টোন। গত মে মাসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ঘরের মাঠে সাদা বলের সিরিজে দল থেকে বাদ পড়ার পর থেকেই টিম ম্যানেজমেন্টের সঙ্গে তার সম্পর্কের অবনতি ঘটেছে। ম্যাককালাম তার বাদ পড়ার কারণ ব্যাখ্যা করার জন্য এক মিনিটও সময় দেননি বলে জানান লিভিংস্টোন।
তিনি বলেন, 'আমার মনে হয় না ফোনটা এক মিনিটও হয়েছিল। আমি কারণ জানতে চাইলে তারা বলল, তারা অন্য কাউকে সুযোগ দিতে চায়। এটা বাজের কাছ থেকেই শুনেছি। রাইটিও (লুক রাইট) আমার সঙ্গে যোগাযোগ করেনি, আর ব্রুকি (হ্যারি ব্রুক) আমাকে শুধু একটি মেসেজ পাঠিয়েছে।'
ইংল্যান্ডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর কীর ওপরই বেশি ক্ষোভ লিভিংস্টোনের। তার দাবি, কী প্রথমে বলেছিলেন গ্রীষ্মে কথা বলবেন, কিন্তু কয়েক মাস কেটে গেলেও কোনো যোগাযোগ হয়নি। শেষ পর্যন্ত সেপ্টেম্বরের শেষ দিকে, কেন্দ্রীয় চুক্তি শেষ হওয়ার ঠিক আগে, দুজনের মধ্যে কথা হয়। লিভিংস্টোন বলেন, তখন কি তাকে জানান তার চুক্তি নবায়ন করা হবে না। যোগাযোগের অভাব নিয়ে প্রশ্ন তুললে, কি নাকি সোজাসাপ্টা বলেন, 'তোমার সঙ্গে কথা বলার চেয়ে আমার আরও ১০০টা গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে।'
চ্যাম্পিয়নস ট্রফিকে নিজের ক্যারিয়ারের সবচেয়ে বাজে অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন লিভিংস্টোন। তিন ম্যাচে মাত্র ৩৩ রান করে গড় ছিল ১১, আর ইংল্যান্ড তিন ম্যাচই হেরে গ্রুপ পর্ব থেকেই বিদায় নেয়। বাজে ফর্মের সময় কোচদের কাছে সাহায্য চেয়েও হতাশ হয়েছেন বলে জানান তিনি।
এ প্রসঙ্গে লিভিংস্টোন বলেন, 'আমি সাহায্য চেয়েছিলাম, কিন্তু প্রায় যা পেয়েছি তা হলো আমি নাকি বেশি চিন্তা করি এবং একটু শান্ত হতে হবে, তাহলেই সব ঠিক হয়ে যাবে। কাউকে বারবার বলা যে সে বেশি চিন্তা করছে, সেটা বাস্তবতার সঙ্গে অনেকটাই বেমানান, বিশেষ করে যখন আপনি ভাবেন এই পর্যায়ে পৌঁছাতে পরিবারের কত ত্যাগ স্বীকার করতে হয়েছে।'
তিনি আরও বলেন, 'আমি শুধু জানতে চেয়েছিলাম কোথায় ভুল করছি, কীভাবে ভালো করা যায়। কিন্তু দুটো শট ভালো লাগলেই তারা বলত, দারুণ, পেয়ে গেছো, এবার হোটেলে ফিরি। এটা আমার জন্য খুব উপভোগ্য অভিজ্ঞতা ছিল না। ভবিষ্যৎ নিয়ে যদি বলেন, আমি শুধু ক্রিকেটটা উপভোগ করতে চাই। যেটা উপভোগ করতে পারি না, সেটা আমি করব না।'