রান তাড়ায় লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে শুরুটা ভালো হয়নি অস্ট্রেলিয়ার। ইনিংসের তৃতীয় ওভারেই মিচেল মার্শের উইকেট হারায় সফরকারীরা। আবরারের অফ স্টাম্পের বাইরে পড়ে টার্ন করে ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে ডিফেন্স করার চেষ্টায় লেগ বিফোর হয়েছেন মার্শ। ১৪ বলে ১৮ রান করেছেন অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক। পরের ওভারে আউট হয়েছেন ট্রাভিস হেডও। সাইম আইয়ুবের শর্ট ডেলিভারিতে পুল করতে চেয়েছিলেন বাঁহাতি ওপেনার।
প্রত্যাশিতভাবে বল উপরে না ওঠায় নিচু হওয়া ডেলিভারিতে বোল্ড হয়েছেন ৪ রান করা হেড। পাওয়ার প্লে শেষের আগে আউট হয়েছেন জশ ইংলিসও। আবরারের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন তিনি। ব্যাট হাতে জ্বলে উঠতে পারেননি ম্যাট রেনশ ও কুপার কনোলি। দুজনই ফিরেছেন দ্রুতই। ৫৪ রানে ৫ উইকেট হারানোর পর সেখান থেকে ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি অস্ট্রেলিয়া।
একপ্রান্ত আগলে রেখে সফরকারীদের টেনে নেয়ার চেষ্টা করেছিলেন ক্যামেরন গ্রিন। তিনিও বড় ইনিংস খেলতে পারেননি। ২০ বলে ৩৫ রান করে আউট হয়েছেন উসমান তারিকের বলে ছক্কা মারার চেষ্টায়। শেষের দিকে ২৩ বলে ২৭ রান করেছেন ম্যাথু শর্ট। পাকিস্তানের স্পিনারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে মাত্র ১০৮ রানে অল আউট হয়েছে অস্ট্রেলিয়া। স্বাগতিকদের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন শাদাব ও আবরার। দুইটি উইকেট পেয়েছেন তারিক।
এর আগে টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাহিবজাদা ফারহানের উইকেট হারায় পাকিস্তান। প্রথম টি-টোয়েন্টির মতো এদিনও ব্যাট হাতে ঝড় তোলার চেষ্টা করেন সাইম। তাকে সঙ্গ দেয়ার পাশাপাশি দ্রুত রান তুলেছেন সালমানও। তাদের দুজনের ব্যাটেই শুরুর ধাক্কা সামলে ৫৫ রানের জুটি গড়েন। ১১ বলে ২৩ রান করা সাইমকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন কনোলি। ব্যাট হাতে আবারও ব্যর্থ হয়েছেন বাবর আজম।
অ্যাডাম জাম্পার বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে ফেরেন ২ রানে। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ২৫ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন সালমান। সেঞ্চুরির পথে হাঁটলেও ৪০ বলে ৭৬ রানের ইনিংস খেলে ফিরতে হয় তাকে। তবে আক্রমণাত্বক ব্যাটিংয়ে ৩১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করা উসমান খেলেন ৫৩ রানের ইনিংস। শেষের দিকে ২০ বলে ২৮ রান করেন শাদাব। ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রানের পুঁজি পায় পাকিস্তান। অস্ট্রেলিয়ার হয়ে একটি করে উইকেট পেয়েছেন পাঁচ বোলার।