নিরাপত্তা শঙ্কায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না যাওয়ার কথা জানায় বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। নিজেদের অবস্থান থেকে সরে এসে ভারতে যেতে রাজি না হওয়ায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ থেকে বাংলাদেশকে সরিয়ে দিয়েছে আইসিসি। ক্রিকেটের নিয়ন্ত্রক সংস্থার ‘দ্বৈতনীতি’র সমালোচনায় সরব ছিলেন রশিদ লতিফ। এমনকি পাকিস্তান যাতে বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়ে বিশ্বকাপ বয়কট করে এমন আহ্বানও জানান তিনি।
রশিদ লতিফের মতো বাংলাদেশের পাশে আছে পাকিস্তানও। বাংলাদেশের দাবি না মানায় আইসিসিকে চিঠি দেয় পিসিবি। এমনকি বোর্ড সভার ভোটাভুটিতেও আমিনুল ইসলাম বুলবুলের বোর্ডকে ভোট দিয়েছেন মহসিন নাকভি। পাকিস্তান বিশ্বকাপ বয়কট করতে পারে এমন গুঞ্জনও উঠে। বিশ্বকাপ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরীফের সঙ্গেও বৈঠক করেছেন পিসিবির চেয়ারম্যান।
আগামী শুক্রবার কিংবা সোমবার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে। তবে গুঞ্জন আছে বিশ্বকাপ খেললেও ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ বয়কট করতে পারে পাকিস্তান। এমন সিদ্ধান্ত এলেও সাদরে গ্রহণ করে নেবেন রশিদ লতিফ। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক মনে করেন, সরকার যদি বলে ভারতের বিপক্ষে ম্যাচ খেলবে না তাহলে আইসিসি সেই সিদ্ধান্ত মানতে বাধ্য। সেটা না হলে লড়াই শুরু হবে।
‘কট বিহাইন্ড’ নামের ইউটিউব চ্যানেলে রশিদ লতিফ বলেন, ‘অনেক মানুষই বলছে ভেতরে আলোচনা হয়েছে ভারতের বিপক্ষে খেলবে না। এটাও ভালো একটা প্রতিবাদ হবে। এটা পাকিস্তানের সরকার বলতে পারে। কিন্তু পিসিবি বা ক্রিকেটের সঙ্গে জড়িতরা এটা বলতে পারে না। সরকার যদি বলে আমরা ভারতের বিপক্ষে খেলব না তাহলে আইসিসিকও মানতে হবে। যদি না মানে (আইসিসি) তাহলে তখন থেকেই লড়াইটা শুরু হবে। লড়াই যদি করতে হয় তাহলে করো। এটা দারুণ একটা পদক্ষেপ হবে যে আমরা বাকি সব ম্যাচই খেলব কিন্তু ভারতের বিপক্ষে খেলব না।’
টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে একই গ্রুপে রয়েছে ভারত ও পাকিস্তান। কোনো ধরনের অঘটন না ঘটলে দুই দলই সুপার এইটে জায়গা করে নেবে। পাকিস্তান ও ভারত যদি ফাইনালে উঠে তাহলে কী করবে? রশিদ লতিফের কাছে এমন প্রশ্ন ছুঁড়ে দেন উপস্থাপক। সেই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘তবুও খেলব না। খেলব না বলছি মানে তো খেলব না।’