এপিএলের দ্বিতীয় আসরের ঘোষণা দেওয়ার দিনই তিনটি ফ্র্যাঞ্চাইজি নিশ্চিত করে আফগানিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (এসিবি)। যেখানে একসেল গ্রুপ কিনে নিয়েছে একসেল ইউনাইটেড কাবুল, পঙ্কজ চাড্ডা এবং আশিষ মেহতার বুলফ্রগ মিলে কিনে নিয়েছে কান্দাহার ওয়ারিয়র্স। বর্তমানে নেপাল প্রিমিয়ার লিগে (এনপিএল) পোখারা অ্যাভেঞ্জার্সের মালিকানায় আছে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি।
সাকিব রাহিমি মালিকানা কিনেছে বালাখ জাওয়ানানের। জানা গেছে, বাকি দুইটি ফ্র্যাঞ্চাইজি এখনো বিক্রি করতে পারেনি আফগানিস্তান। কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা হলেও তা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাকি দুইটি ফ্র্যাঞ্চাইজি না পাওয়ায় বাধ্য হয়েই প্লেয়ার্স ড্রাফট পিছিয়ে দিয়েছে এসিবি। যদিও ফ্র্যাঞ্চাইজি না পাওয়ার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে জানায়নি দেশটির ক্রিকেট বোর্ড।
প্লেয়ার্স ড্রাফট পেছানোর পাশাপাশি ক্রিকেটারদের নিবন্ধনের সময়ও বাড়িয়ে দিয়েছে। নতুন সূচিতে আগামী ৫ অক্টোবর পর্যন্ত ক্রিকেটাররা নিবন্ধন করতে পারবেন। এর আগে আফগানিস্তানের গণমাধ্যমগুলো জানিয়েছে ইতোমধ্যে ১ হাজারের বেশি ক্রিকেটার নিবন্ধন করেছেন। যেখানে বাংলাদেশ থেকে তিনজন ক্রিকেটার রয়েছেন।
সাকিব আল হাসানের পাশাপাশি এপিএলের দ্বিতীয় আসরের ড্রাফটের জন্য নিবন্ধন করেছেন বাংলাদেশের দুই পেসার নাহিদ রানা ও তাসকিন আহমেদ। তাদের পাশাপাশি গুড়াকেশ মোতি, এভিন লুইস, লুক উড, রিস টপলি, জেমস ভিন্স, চারিথ আসালাঙ্কা, কামিন্দু মেন্ডিস, ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা, আলজারি জোসেফ, আকিল হোসেনের মতো ক্রিকেটাররা।