এদিন টসে জিতে আগে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় কলম্বো। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা অবশ্য ভালো হয়নি গলের। দলীয় ৭ রানেই থমাস রজার্সকে হারায় তারা। ৪ রান করা এই ওপেনারকে ফিরিয়ে দেন মুজিব উর রহমান। ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই আক্রমণে আসেন রিপন। শুরুতেই অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটার স্যাম হার্পারের তোপের মুখে পড়েন তিনি।
টানা দুই বলে চার হাঁকান হার্পার। এরপর চারিথ আসালাঙ্কাও থামেননি। ওভারের চতুর্থ ও পঞ্চম বলে টানা দুই চার মারেন তিনি। শেষ বলেও চার হলেও সেটি ছিল বাই, তাই সেই রান রিপনের বোলিং খাতায় যোগ হয়নি। প্রথম ওভারে ১৭ রান দেন বাংলাদেশের এই পেসার। দ্বিতীয় উইকেটে গলের রান বাড়িয়েছেন হার্পার ও আসালাঙ্কা। দুজন মিলে ৪২ রানের জুটি গড়েন।
২৮ রান করা হার্পারকে ফিরিয়ে এই জুটি ভাঙেন ওয়ানুজা সাহান। তৃতীয় উইকেটে আসালাঙ্কাকে ভালো সঙ্গ দেন দিনুরা কালুপাহানা। তবে ২০ রান করে তিনি আউট হন মালশা থারুপাথির বলে। এরপর দ্রুতই ফিরে যান চামিকা করুনারত্নেও। ইনিংসের ১৩তম ওভারে নিজের দ্বিতীয় ওভারে এসে আবারও ব্যাটারদের তোপের মুখে পড়েন রিপন। ওই ওভারেও ১৭ রান খরচ করেন তিনি।
শাহান আরাচ্চিগে একটি চার ও একটি ছক্কা মারেন, আর ওভারের শেষ বলে চার হাঁকান আসালাঙ্কা। দুই ওভারে কোনো উইকেট ছাড়াই ৩৪ রান দেন বাংলাদেশের এই পেসার। এরপর আর বোলিংয়ের সুযোগ আসেনি তার। পঞ্চম উইকেটে আসালাঙ্কা ও শাহান আরাচ্চিগে মিলে গলের ইনিংসকে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন।
এই জুটির পথেই ৩১ বলে নিজের অর্ধশতক পূর্ণ করেন আসালাঙ্কা। অন্যদিকে আরাচ্চিগেও খেলেন কার্যকর একটি ইনিংস। ২৯ বলে ৪৩ রান করে তিনি বিদায় নেন। তাতে ভাঙে ৬৬ রানের জুটি। এরপর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি আসালাঙ্কাও। ৩৭ বলে ৫৮ রান করেন এই লঙ্কান ব্যাটার। তার ইনিংসে ছিল ৭টি চার ও ২টি ছক্কা। শেষদিকে দাসুন শানাকা ও মোহাম্মদ নাওয়াজের ঝোড়ো ব্যাটিংয়ে বড় সংগ্রহ নিশ্চিত করে গল। শানাকা ৮ বলে ২১ রানের ক্যামিও খেলেন। নাওয়াজ ৪ বলে ৭ রান করে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থাকেন।