২০৯ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে উড়ন্ত সূচনা পায় ক্যান্ডি। দুই ওপেনার লাহিরু উদারা ও পবন সন্দেশের ব্যাটে অষ্টম ওভারেই বিনা উইকেটে ১০০ রানে পৌঁছে যায় তারা। ২৩ রান করা পবনকে ফিরিয়ে ক্যান্ডির ১০৩ রানের উদ্বোধনি জুটি ভাঙে শাচিন্দু কলম্বাগে। এই জুটি ভাঙার পর এক প্রান্তে নিয়মিত উইকেট হারাতে থাকে ক্যান্ডি।
কিন্তু এক প্রান্ত আগলে রেখে দলকে জয়ের পথেই রাখেন উদারা। তুলে নেন নিজের টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি। ৬৩ বলে ৭ ছক্কা ও ১৫ চারে ১৩২ রানের ক্যারিয়ার সেরা ইনিংসে শেষ পর্যন্ত দলকে জিতিয়েই মাঠ ছাড়েন উদারা। ৭ বল আগেই ৬ উইকেটের জয়ে টুর্নামেন্টের প্লে অফে খেলার আশা টিকিয়ে রাখলো ক্যান্ডি।
টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে স্যাম হার্পার ও সোহানের ব্যাটে ভালো শুরু পায় গল। সাবধানী ব্যাটিংয়ে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৪২ রান তোলে ফ্র্যাঞ্চাইজিটি। পাওয়ার প্লে শেষেও একই ধাচে খেলতে থাকেন তারা দুজন। সোহানকে ফিরিয়ে জুটি ভাঙেন জহির খান। বাঁহাতি স্পিনারের বলে ছক্কা মারার চেষ্টায় লং অনে ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গাকে ক্যাচ দিয়েছেন সোহান।
বাংলাদেশের উইকেটকিপার ব্যাটার আউট হয়েছেন ৩২ বলে ৩৩ রান করে। সোহান না পারলেও ঝড়ো ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি করেন হার্পার। ২৮ বলে পঞ্চাশ ছোঁয়া ডানহাতি ওপেনার শেষ পর্যন্ত আউট হয়েছেন ৩৮ বলে ৭২ রানের ইনিংস খেলে। সাত চার ও তিন ছক্কায় এমন ইনিংস খেলা হার্পারকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন জহির খান।
তিনে নেমে তাণ্ডব চালাতে থাকেন চারিথ আসালাঙ্কা। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে মাত্র ২৪ বলে পঞ্চাশ ছুঁয়েছেন বাঁহাতি এই ব্যাটার। শেষ পর্যন্ত ৭ চার ও চারটি ছক্কায় ৩২ বলে ৭০ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত ছিলেন আসালাঙ্কা। অধিনায়ক দাসুন শানাকার ব্যাট থেকে এসেছে ১৬ রান। সোহান, আসালাঙ্কা ও হার্পারের ব্যাটে ২০৮ রানের বড় পুঁজি পেয়েছে গল। ক্যান্ডির হয়ে দুইটি উইকেট নিয়েছেন জহির।