দাহানির প্রথম তিন বলে তিন ছক্কা মেরে প্রতিপক্ষকে চাপ ফেলে দিয়েছেন হৃদয়। সেই চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে পারেননি দাহানি। ইনিংসের শেষ তিন বলে পাকিস্তানি পেসার হজম করেছেন একটি করে চার ও ছক্কা। হৃদয়ের তাণ্ডবে দুইশ পার করে জাফনা কিংস। রীতিমতো তাণ্ডব চালিয়ে চারটি ছক্কা ও একটি চারে মাত্র ৮ বলে খেলেছেন অপরাজিত ৩১ রানের ইনিংস। হৃদয় ব্যাটিং পেলেও সুযোগ মেলেনি সাকিব আল হাসানের।
ব্যাটিংয়ে নামতে না পারলেও বল হাতে নিতে পেরেছিলেন বাঁহাতি এই স্পিনার। পঞ্চম ওভারে বোলিংয়ে এসে উইকেট না পেলেও খরচা করেন মাত্র ৪ রান। দ্বিতীয় ওভারে অবশ্য কিছুটা খরুচে ছিলেন সাকিব। প্রথম ৫ বলে ১০ রান দেওয়ার পর শেষ বলে উইকেটের দেখা পায় জাফনা। সাকিবের বলে রিভার্স সুইপ করতে গিয়ে ব্যাটে-বলে সেভাবে করতে পারেননি আসেন বান্দারা।
বল না দেখেই রান নেওয়ার জন্য দৌড় দেন ডানহাতি এই ব্যাটার। তবে নন স্ট্রাইক প্রান্ত থেকে সাড়া দেননি সাদিরা সামারাবিক্রমা। ক্রিজের অর্ধেকটা পেরিয়ে যাওয়ায় যথাসময়ে ফিরতে পারেননি বান্দারা। ফলে রান আউট হয়ে ফিরতে হয় তাকে। তৃতীয় ওভারে আরও খরুচে ছিলেন সাকিব। দিয়েছিলেন ১৩ রান। পরবর্তীতে বোলিংয়ের সুযোগ পাননি তিনি। সবমিলিয়ে ৩ ওভারে ২৭ রান খরচায় ছিলেন উইকেটশূন্য।
হৃদয় ও সাকিবের এমন পারফরম্যান্সের দিনে ১৯ রানে জয় পেয়েছে জাফনা। পাল্লেকেলেতে রান তাড়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে কলম্বো ক্যাপস। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৪৪ রান করেছেন সামারাবিক্রমা। এ ছাড়া মিলান রত্নায়েকে ২৬, কামিন্দু মেন্ডিস ২৮, জানিথ লিয়ানাগে ২০, নিশাম ১৯ রান করেছেন। জাফনার হয়ে দিলশান মাদুশঙ্কা তিনটি ও লিজাড উইলিয়ামস দুইটি উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে টস হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে ৫ উইকেটে ২০২ রান তোলে জাফনা। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হয়ে ১২ চার ও তিন ছক্কায় ৬৫ বলে ৯৫ রানের ইনিংস খেলেছেন ইব্রাহিম জাদরান। রান আউট হয়ে ফেরায় সেঞ্চুরি পাওয়া হয়নি আফগান ব্যাটারের। এ ছাড়া কামিল মিশারা ১৯ বলে ৪৪ ও হৃদয় ৮ বলে করেছেন ৩১ রান। কলম্বোর হয়ে দুইটি উইকেট নিয়েছেন জিমি নিশাম। একটি উইকেট পেয়েছেন মুজিব উর রহমান।