পাঁচ চার ও এক ছক্কায় মাত্র ১৩ বলে ডানহাতি ব্যাটার খেললেন ২৯ রানের ঝড়ো ইনিংস। সোহানের এমন ব্যাটিংয়ের সঙ্গে চামিকা করুনারত্নের ৩৪ বলে অপরাজিত ৭২ রানের ইনিংসে ২২০ রানের বড় পুঁজি পায় গল গ্যালান্টস। রান তাড়ায় নিয়মিত বিরতিতে উইকেটে হারিয়েছে ডাম্বুলা সিক্সার্স। দীনেশ চান্দিমালের দলকে ৪৪ রানে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে নিজেদের অবস্থানটা আরও পোক্ত করলো সোহান-মেহেদী হাসান মিরাজদের গল।
রান তাড়ায় ভালো ডাম্বুলাকে ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন নিরোশান ডিকওয়েলা ও শাহিবজাদা ফারহান। ৪ ওভারে ৪৯ রান তোলার পরই ভাঙে তাদের জুটি। ডিকওয়েলা আউট হয়েছেন ৩২ রানে। পরবর্তীতে নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারায় ডাম্বুলা। রমেশ মেন্ডিসের ২২ বলে ৩৯, মার্কাস অ্যাকারম্যানের ২৩ রান কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। গলের হয়ে একাই তিনটি উইকেট নিয়েছেন সাচিন্দু কলোমবাগে।
গলের হয়ে এলপিএল অভিষেকে ওপেনিংয়ে ব্যাট করতে নামেন সোহান। নেমেই ঝড়ো ব্যটিং করেন তিনি। ১৩ বলে ২৯ রানের ইনিংস করে দুশমান্থ চামিরার শিকার হয়েছেন বাংলাদেশের উইকেটকিপার ব্যাটার। গুলবাদিন নাইবকে ক্যাচ দিয়েছেন এই উইকেটরক্ষক ব্যাটার। ফেরার আগে একটি ছক্কা ও পাঁচটি চারে এই ঝড়ো ইনিংস খেলেন তিনি।
৪০ রানে ওপেনিং জুটি ভাঙার পর ওপেনার স্যাম হার্পার আরও ৫৯ রান যোগ করেন চারিথ আসালাঙ্কাকে নিয়ে। আসালাঙ্কা আউট হয়েছেন ২০ বলে ৩১ রানের ইনিংস খেলে। এরপর হার্পারও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তার ব্যাট থেকে আসে ২৭ বলে ৪১ রানের ইনিংস। এরপর গলের হাল ধরেন শাহান আর্চাচিগে ও চামিন্দু করুনারত্নে।
তারা আরও ৫৬ রান যোগ করলে বড় সংগ্রহের ভিত পেয়ে যায় গল। আর্চাচিগে ফিরেছেন ১৮ বলে ২৮ রান করে। এরপর নিজের দিকে ব্যাটারদের আসা যাওয়ার মিছিল থাকলেও একপ্রান্ত আগলে রেখে ৩৪ বলে ৭২ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন করুনারত্নে। আর তাতেই নির্ধারিত ২০ ওভারে ২২০ রানের বড় পুঁজি পেয়ে যায় গল।