ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই বল করতে আসেন সাকিব। সেই ওভারে মাত্র ৩ রান খরচ করেন বাঁহাতি এই স্পিনার। চতুর্থ ওভারে আবারও বোলিংয়ে ফিরে সাকিব এক বাউন্ডারিসহ খরচ করেন ৫ রান। ইনিংসের ১৩তম ওভারে নিজের তৃতীয় ওভার করতে আসেন সাকিব। সেই ওভারেই সাকিবকে চার মেরে ৩৮ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন লাহিরু উদারা। ওভারের পঞ্চম বলে ৫ রান করা মঈনকে আউট করেন সাকিব। ক্যাচ নিয়েছেন ডেভিড ভিসে। সেই ওভারে সাকিবের খরচ ১০ রান।
করাচির হয়ে উদারা ছাড়া আর কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি। উদারা একাই হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। দলীয় পঞ্চাশ রানের আগেই তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে। সেখান থেকে আর ঘুরে দাঁড়াতে পারেনি ক্যান্ডি। এরপরও তারা নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়েছে। একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকা উদারাকে এলবিডব্লিউ করে ফেরান।
এরপর শেষ দিকে শাহীন আফ্রিদি কিছুটা চেষ্টা করলেও তা দলের জন্য যথেষ্ঠ ছিল না। তিনি ১৯ বলে ২২ রান যোগ করেন শেষদিকে। জাফনার হয়ে একাই ৩টি করে উইকেট নেন দুনিথ ওয়েলালাগে ও মোহাম্মদ শিরাজ। একটি করে উইকেট নেন সাকিব, ট্রাভিন ম্যাথিউ ও ভিসে।
এর আগে ক্যান্ডির বিপক্ষে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন জাফনা অধিনায়ক ভানুকা রাজাপাকশে। ব্যাটিংয়ে নেমে জাফনাকে উড়ন্ত সূচনা এনে দেন দুই ওপেনার কামিল মিশারা ও আভিষ্কা ফার্নান্দো দুজনে শতরানের ওপেনিং জুটি গড়ে বড় সংগ্রহের ভিত গড়ে দেন জাফনাকে।
আভিষ্কা ২৯ বলে হাফ সেঞ্চুরি তুলে নেন। খানিক বাদেই ৩৬ বলে হাফ সেঞ্চুরির দেখা পান মিশারা। এই দুজনের জুটি ভেঙেছেন দুশান হেমন্থ। এই লেগ স্পিনারের বলে আসিথা ফার্নান্দোর হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন। ফলে ১২৯ রানে তাদের ওপেনিং জুটি ভাঙে। এরপর উইকেটে আসেন তাওহীদ হৃদয়।
দ্বিতীয় উইকেটে হৃদয় ও মিশারা যোগ করেন ৩১ রান। মিশারা ফিরেছেন ৫৩ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলে। তাকে আউট করেছেন শাহীন শাহ আফ্রিদি। ডিপ পয়েন্টে দারুণ ক্যাচ নেন লাহিরু উদারা। হৃদয়ের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে যোগ দেন ভানুকা রাজাপাকশে। তবে তাকেও বোল্ড করে বিদায় করেন আফ্রিদি।
চামিন্দু উইকরামাসিংহে ইনিংসের ১৯তম ওভারে আফ্রিদির বলে বোল্ড হয়ে আউট হন ৭ বলে ১০ রান করে। তবে দুনিথ ওয়েলালাগে ও হৃদয় মিলে জাফনার বড় পুঁজি নিশ্চিত করে মাঠ ছাড়েন। হৃদয় ২১ বলে ৩৫ ও ওয়েলালাগে শূন্য রানে অপরাজিত থেকে মাঠ ছেড়েছেন।