সাকিবের মতো ব্যাটিংটা ভালো করতে পারেননি জাফনার বেশিরভাগ ব্যাটারই। কামিল মিশারা, আভিস্কা ফার্নান্দো, ইব্রাহিম জাদরান কিংবা ভানুকা রাজাপাকশে— সবাই ফিরলেন ব্যাট হাতে জ্বলে ওঠার আগেই। শেষের দিকে দুনিথ ওয়েলালাগের ৩৯ বলে ৫৬ রানের ইনিংসের সঙ্গে ডেভিড ভিসের ২২ রান কেবল হারের ব্যবধানই কমিয়েছে। ১৯৪ রানের লক্ষ্য তাড়ায় জাফনা অল আউট হয়েছে মাত্র ১৩৩ রানে। গলের হয়ে তিনটি করে উইকেট নিয়েছেন থারিন্দু ও এসান মালিঙ্গা।
টস জিতে বোলিংয়ে নেমে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারে সাকিবের হাতে বল তুলে দেন রাজাপাকশে। প্রথমবার বোলিংয়ে আসা বাঁহাতি স্পিনারের শুরুটা ভালো হয়নি। প্রথম বলেই ডিপ এক্সট্রা কভারের উপর দিয়ে ছক্কা মারেন ক্রিস লিন। একই ওভারে সাকিব ছক্কা হজম করেন আরও একটি। নিজের প্রথম ওভারে ১৩ রান দিয়ে বাংলাদেশের তারকা অলরাউন্ডার ছিলেন উইকেটশূন্য। দ্বিতীয় ওভারে অবশ্য খানিকটা মিতব্যয়ী ছিলেন তিনি।
কোনো বাউন্ডারি হজম না করলেও সেই ওভারে দেন ৫ রান। তৃতীয় ওভারের শুরুটাও ভালো ছিল। প্রথম চার বলে দিয়েছিলেন ৩ রান। তবে পঞ্চম বলে দাসুন শানাকাকে ফাঁদে ফেলতে গিয়ে ছক্কা খেয়েছেন সাকিব। যদিও পরের বলেই প্রতিশোধ নিয়েছেন তিনি। বাঁহাতি স্পিনারের ঝুলিয়ে দেওয়া ডেলিভারিতে আবারও ছক্কা মারতে চেয়েছিলেন শানাকা। তবে সাকিব লেংথটা একটু পিছিয়ে দেওয়ায় টাইমিংটা ঠিকঠাক করতে পারেননি গলের অধিনায়ক।
শেষ পর্যন্ত সাকিবের ফাঁদে পড়ে লং অফে ইব্রাহিমের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন শানাকা। কোটার শেষ ওভারটা করার সুযোগ মেলেনি বাঁহাতি এই স্পিনার। গলের বিপক্ষে তিন ওভারে ২৭ রান খরচায় এক উইকেট নিয়েই শান্ত থাকতে হয়েছে তাকে। সাকিবের এমন বোলিংয়ের দিনে অবশ্য জাফনার হয়ে দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন লিজাড উইলিয়ামস ও দিলশান মাদুশঙ্কা। তবুও লিনের ২২ বলে ৪৬ ও শেষের দিকে শাহান আরাচিগের ৩৬ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ১৯৩ রানের পুঁজি পেয়েছে গল।