রান তাড়ায় শুরুটা ভালো হয়নি ডাম্বুলার। দ্রুতই ফেরেন নিরোশান ডিকওয়েলা। চতুর্থ ওভারে ফেরেন পাকিস্তানি ওপেনার শাহিবজাদা ফারহানও। পাওয়ার প্লেতে বোলিংয়ের সুযোগ পেলেও সুবিধা করতে পারেননি মিরাজ। দ্বিতীয় ওভারে বোলিংয়ে এসে দুই চারে দিয়েছেন ১১ রান। পরবর্তীতে ১২তম ওভারে বোলিংয়ে এসে দিয়েছেন ১০ রান। দ্রুত দুই উইকেট হারালেও আক্রমণাত্বক ব্যাটিং করতে থাকেন পবন রত্নায়েকে ও রেজা হেনড্রিক্স।
তাদের দুজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে ঘুরে দাঁড়ায় ডাম্বুলা। ১১ বলে ২৯ রান করে পবন ফিরলে হেনড্রিক্সকে সঙ্গ দেন মার্কাস অ্যাকারম্যান। সাবধানী ব্যাটিংয়ে অ্যাকারম্যান করেন ২৫ বলে ৩৫ রান। গলকে উড়িয়ে দেওয়ার কাজটা করেছেন হেনড্রিক্স। দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ৩৭ বলে খেলেছেন ৬৪ রানের অপরাজিত ইনিংস। তাকে সঙ্গ দেওয়া গুলবাদিন নাইবের ব্যাট থেকে এসেছে ৬ বলে ২০ রান।
এর আগে প্রথম দুই ম্যাচে তিন ও চার নম্বরে ব্যাটিং করেছিলেন মিরাজ। তবে ডাম্বুলার বিপক্ষে বাংলাদেশের অলরাউন্ডার সুযোগ পেলেন ৮ নম্বরে। দাসুন শানাকা আউট হয়ে যাওয়ায় আরও খানিকটা চাপে পড়েন তিনি। তবে শেষ ওভারে দারুণ ব্যাটিংয়ে দুইটা চার মেরেছেন মিরাজ। ইনিংসের শেষ বলে আউট হওয়া ডানহাতি ব্যাটার ১৩ বলে করেছেন ১৬ রান।
মিরাজের এমন ব্যাটিংয়ের দিনে গলকে টেনেছেন স্যাম হার্পার ও চামিকা করুনারত্নে। লাসিথ ক্রুসপুল্লে দ্রুত ফিরলেও হার্পার ২২ বলে ৪০ ও চামিকা ৩০ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন। এ ছাড়া চারিথ আসালাঙ্কা ২৫, অধিনায়ক শানাকা ২০ রান করেছেন। শেষ পর্যন্ত ৮ উইকেটে ১৭৮ রানের পুঁজি পেয়েছে গল। ডাম্বুলার হয়ে ফজলহক ফারুকী তিনটি এবং অ্যাকারম্যান পেয়েছেন দুইটি উইকেট।