দুই ওভারে এক উইকেট পাওয়া বাঁহাতি স্পিনার রান দিয়েছেন ১৯। সাকিবের এমন পারফরম্যান্সের সঙ্গে লিজাড উইলিয়ামস ও দিলশান মাদুশঙ্কার দুর্দান্ত বোলিংয়ে অনায়াসেই জয় পেয়েছে জাফনা। কলম্বো ক্যাপসের বিপক্ষে সাকিবের দল জিতেছে ৫ রানে। জাফনার বিপক্ষে হারা ম্যাচে অবশ্য বল হাতে বিবর্ণ হাসান। গত দুই ম্যাচে ভালো করলেও এদিন খরুচে বোলিংয়ে ৪ ওভারে দিয়েছেন ৩৯ রান। এমনকি উইকেটের দেখাও পাননি বাংলাদেশের তারকা পেসার।
রান তাড়ায় ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই রুবিন হারম্যানকে হারায় কলম্বো। একটু পর ফিরে গেছেন থানুকা দাবাড়ে ও সাদিরা সামারাবিক্রমা। সুবিধা করতে পারেননি ম্যাকডরমটও। তবে কলম্বোকে একাই টেনে তোলার চেষ্টা করেন অধিনায়ক কামিন্দু মেন্ডিস। খেলেছেন ৪২ বলে ৫৮ রানের ইনিংস। তাকে সঙ্গ দেওয়া সারুজান ফিরেছেন ২৬ রানে। শেষের দিকে ভিনুজা শাহানের অপরাজিত ৩৫ রান কেবল হারের ব্যবধান কমিয়েছে। জাফনার হয়ে উইলিয়ামস তিনটি ও মাদুশঙ্কা, ট্রাভিন ম্যাথু দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন।
এর আগে গল গ্যালান্টসের বিপক্ষে দুই উইকেট নেওয়ার পর ক্যান্ডি রয়্যালস ম্যাচে হাসান নিয়েছিলেন তিন উইকেট। দুই ম্যাচে পাঁচ উইকেট পেলেও জাফনার বিপক্ষে ব্যর্থ ডানহাতি এই পেসার। পাওয়ার প্লেতে দুই ওভার বোলিং করে ১৭ রান দিয়েছিলেন তিনি। পরবর্তীতে মাঝের ওভারে আবারও বোলিংয়ে আনা হয় তাকে। সেই ওভারেও উইকেট পাননি তিনি।
ইনিংসের শেষ ওভারে বোলিংয়ে এসেও ছিলেন খরুচে। সবমিলিয়ে ৪ ওভারে ৩৯ রান খরচা করলেও উইকেটের দেখা পাননি হাসান। ডানহাতি পেসারের এমন বোলিংয়ের দিনে ব্যাটিংয়ের সুযোগ পেয়েছিলেন সাকিব। হাসানকে একটি চার মারার পাশাপাশি ৫ বলে করেছেন ১০ রান। কলম্বোর বিপক্ষে ৬ উইকেটে ১৭৯ রানের পুঁজি পেয়েছে জাফনা।
ফ্র্যাঞ্চাইজিটির হয়ে সর্বোচ্চ ২২ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেছেন চামিন্দু বিক্রমাসিংহে। এ ছাড়া কামিল মিশারা ৩৯, আভিস্কা ফার্নান্দো ৩৪, ইব্রাহিম জাদরান এবং ওয়েলালাগে করেছেন ১৯ রান করে। কলম্বোর হয়ে দুইটি করে উইকেট পেয়েছেন মুজিব উর রহমান ও শাহনেওয়াজ দাহানি। একটি করে উইকেট নিয়েছেন মিলান রত্নায়েকে ও শাহান।