২৬৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নামা ওয়াশিংটনকে ইনিংসের প্রথম ওভারেই বিপদে ফেলেন সাকিব। ইনিংসের মাত্র ৩য় বলেই মিচেল ওয়েনকে বোল্ড করে নিউইয়র্ককে দারুণ সূচনা এনে দেন সাবেক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। নিজের দ্বিতীয় ওভারে আবারো সফল সাকিব। এবার কিউই ব্যাটার রাচিন রবীন্দ্রকে কুনওয়ার্জিত সিংয়ের ক্যাচে পরিণত করেন তিনি। ২৬৭ রানের বড় লক্ষ্য তাড়ায় সাকিবের ভেল্কিতে ১০ রানেই দুই উইকেট হারায় ওয়াশিংটন।
কিন্তু সাকিব বল হাতে দুর্দান্ত সূচনা এনে দিলেও নিউইয়র্কের বাকি বোলাররা কেউই ওয়াশিংটনকে চাপে ফেলতে পারেননি। স্মিথ ও গাউস মিলে মাত্র ৮৯ বলে ২৪১ রানের বিশাল জুটি গড়েন। আর তাতেই জয় অনেকটা নিশ্চিত হয়ে যায় ওয়াশিংটনের।
১২ ছক্কা ও ১০ চারে ৫১ বলে ১৩২ রানের ইনিংস খেলে আউট হন গাউস। অন্যপ্রান্তে ৯ ছক্কা ও ৭ চারে ৪৮ বলে ১১০ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন স্মিথ। আট বল বাকি থাকতেই ছয় উইকেটের জয় পায় ওয়াশিংটন।সাকিবের দুই উইকেটের সাথে ফয়সাল খান ও রুশিল উগারকার একটি করে উইকেট নেন।
এই রান তাড়ার মধ্য দিয়ে টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে সর্বোচ্চ রান তাড়ার বিশ্বরেকর্ড গড়লো ওয়াশিংটন। এর আগে ২৬৫ রান তাড়ার রেকর্ড ছিলো আইপিএলের দল পাঞ্জাব কিংসের। ম্যাচে মোট ৫৩ টি ছক্কাও ছিল টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের বিশ্বরেকর্ড।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে নিউইয়র্ককে ভালো সূচনা এনে দেন কুইন্টন ডি কক। ৬ ছক্কা ও দুই চারে ২৪ বলে ৫১ রান করেন তিনি৷ এরপর দ্বিতীয় উইকেটে ৪২ বলে ১১৮ রানের জুটি গড়েন পুরান ও পোলার্ড। ৩১ বলে সেঞ্চুরি করে এমএলসিতে দ্রুততম সেঞ্চুরির রেকর্ড গড়েন পুরান। ২৫ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন পোলার্ড। ৬ নম্বরে নেমে ৫ বলে রান করে রাচিনের বলে ওয়েনের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হন সাকিব। শেষদিকে ট্রেন্ট বোল্টের ১০ বলে ২২ রানের ঝড়ো ইনিংসে ২৬৬ রানের সংগ্রহ প্রায় নিউইয়র্ক। এই হারের ফলে সাকিবের এবারের এমএলসি অভিযান শেষ হলো টুর্নামেন্টে চতুর্থ হয়ে।