নিজের ওপেনিং পার্টনার থেকে বয়সে প্রায় ৯ বছরের বড় হলেও নিজেকে 'বুড়ো' মানতে নারাজ জয়সাওয়াল। ভারতের টেস্ট ওপেনার নিজেকে এখনও যথেষ্ট তরুণ বলেই মনে করেন। নন স্ট্রাইক প্রান্ত থেকে সূর্যবংশীর ব্যাটিং দারুণ উপভোগ করছেন বলেও জানান এই ওপেনার।
পাঞ্জাব কিংসের বিপক্ষে ২২২ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করে জিতে প্রতিপক্ষকে টুর্নামেন্টে প্রথম হারের স্বাদ দিয়েছেন জয়সাওয়ালরা। বিশাল এই লক্ষ্য তাড়া করতে নেনে ওপেনিংয়ে ২০ বলে ৫১ রানের ঝড়ো শুরু এনে দেন জয়সাওয়াল-সূর্যবংশী। ১৬ বলে ৪৩ রান করে সূর্যবংশী আউট হয়ে গেলেও অন্যপ্রান্তে ঠিকই অর্ধশতক তুলতে নেন জয়সাওয়াল। ২৭ বলে ১ ছক্কা ও সাত চারে ৫১ রান করে দলকে জয়ের ভিত গড়ে দেন তিনি। চার বল বাকি থাকতেই ছয় উইকেটের জয় পায় রাজস্থান।
ম্যাচ শেষে সম্প্রচারকারীদের দেয়া এক সাক্ষাৎকারে জয়সাওয়ালকে প্রশ্ন করা হয়, 'তুলনামূলক বয়স্ক ওপেনিং পার্টনার হবার অনুভূতি কেমন?' সেই প্রশ্নের জবাবে মুচকি হেসে জয়সাওয়াল বলেন, 'আমি মনে করি না যে আমি বয়স্ক। আমি এখনও বেশ তরুণ। তবে অবশ্যই, সে অনেকটাই তরুণ। তাই এ বিষয়ে কী বলব, সত্যি বলতে আমি নিজেও জানি না।'
সূর্যবংশী এবারে আসরে একের পর বিধ্বংসী ইনিংস উপহার দিয়ে পুরো ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছেন। এই বিস্ময়বালকে ব্যাটিং বেশিরভাগ সময় সবচেয়ে কাছ থেকে দেখেন জয়সাওয়াল। তাই সূর্যবংশীকে নিয়ে জয়সাওয়ালের মুগ্ধতাও বেশি।
জয়সাওয়াল যোগ করেন, 'অবশ্যই এটা দারুণ। তার সঙ্গে ব্যাটিং করতে আমি খুব উপভোগ করেছি এবং সে অসাধারণ খেলছে। তাই অন্য প্রান্ত থেকে ও যেভাবে বলকে মাঠের বাইরে পাঠাচ্ছে, সেটা দেখতে সবসময়ই আমার ভালো লাগে।'
পাঞ্জাবের বিপক্ষে ম্যাচে বড় রান তাড়া করার পরিকল্পনা বিষয়ে জয়সওয়াল বলেন, 'আমরা জানতাম এটা একটি হাই-স্কোরিং মাঠ। তাই আমাদের আক্রমণাত্মক মানসিকতা ধরে রাখতে হবে এবং সুযোগ পেলেই খেলতে হবে।
'আমিও ভাবছিলাম, যদি বলটা আমার রেঞ্জে থাকে, তাহলে আমি অবশ্যই শট করব। আমাদের একটা ভালো শুরু দরকার ছিল, কারণ ২০০ রানের বেশি করতে হতো। তাই বিষয়টা একেবারেই পরিষ্কার ছিল। বল যদি আমাদের শট খেলার জায়গায় আসে, তাহলে আমরা সেটা মারব।'