দ্য হান্ড্রেডে ‘ছায়া নিষেধাজ্ঞা’ থাকার কথা ছিল পাকিস্তানের ক্রিকেটার। তবে ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের (ইসিবি) প্রচেষ্টায় এমন কিছু ঘটেনি। নিলাম থেকে দল পেয়েছেন আবরার, উসমান তারিকের মতো ক্রিকেটাররা। তবে সবচেয়ে বেশি আলোচনায় এসেছেন আবরার। ১ লাখ ৯০ হাজার পাউন্ডে পাকিস্তানের স্পিনারকে দলে নিয়েছে লিডস। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির মালিকানায় আছে চেন্নাইভিত্তিক সান গ্রুপের প্রতিষ্ঠান।
তাদের মালিকায় আছে আইপিএলের সানরাইজার্স হায়দরাবাদ ও সাউথ আফ্রিকার এসএ টোয়েন্টির সানরাইজার্স ইস্টার্ন ক্যাপ। ভারতীয় ফ্র্যাঞ্চাইজি হওয়ার পরও পাকিস্তানের ক্রিকেটারকে দলে নেওয়ার বিষয়টি মানতে পারছেন না দেশটির সমর্থকরা। লিডসের এক্স অ্যাকাউন্ট স্থগিত হওয়ার পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজিটির ভাবমূর্তি সংকটে পড়েছে। এমন অবস্থায় তাদের ফোন করার পরামর্শ দিয়েছেন মোদি।
আইপিএলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক কমিশনার মোদি এক্স অ্যাকাউন্টে লিখেন, ‘সমর্থকদের ধৈর্যের বাঁধ যখন ভেঙে গিয়েছে তখন ২ কোটি ৩৪ লাখ রুপি একজন পাকিস্তানি ক্রিকেটারের জন্য খরচ করার মানে কী? এমন পরিস্থিতিতে দূরদর্শিতার পরিচয় দেওয়া কিংবা কিভাবে সাম্রাজ্য গড়তে হয় সে বিষয়ে আমি কিছুটা হলেও জানি। আমাকে ফোন করো।’
সমর্থকদের মতো কাব্যর ফ্র্যাঞ্চাইজির সমালোচনা করেছেন গাভাস্কারও। ভারতের ১৯৮৩ বিশ্বকাপজয়ী সাবেক ক্রিকেটার মনে করেন, আবরার ভারতীয় মালিকানাধীন ফ্র্যাঞ্চাইজি থেকে টাকা নিয়ে সরকারকে আয়কর দেবেন। সেখান থেকে সরকার পরোক্ষভাবে ভারতীয় সেনা ও বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়ে উঠবে।
মিড ডে কলামে গাভাস্কার লিখেছেন, ‘একজন পাকিস্তানি খেলোয়াড়কে যে পারিশ্রমিক দেওয়া হয়, তা থেকে তিনি তাঁর সরকারকে আয়কর দেন। সেই অর্থ দিয়ে অস্ত্র কেনা হয়, যা পরোক্ষভাবে ভারতীয় সেনা ও বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর কারণ হয়। অর্থ প্রদানকারী সংস্থা ভারতে হোক বা বিদেশে তাদের কোনো সহযোগী প্রতিষ্ঠান-মালিক যদি ভারতীয় হন, তবে তিনি ভারতীয়দের ক্ষয়ক্ষতির জন্য দায়ী হয়ে পড়েন।’