পাশাপাশি তাকে ২৪ মিলিয়ন লঙ্কান রুপি জরিমানা করা হয়েছে। যা বাংলাদেশি মূদ্রায় প্রায় আড়াই কোটি টাকার কাছাকাছি। বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত হলেও তামিম একজন ব্রিটিশ নাগরিক। আদালতে তিনি নিজেই স্বীকার করেন, টুর্নামেন্ট চলাকালে নিজের দলের এক ক্রিকেটারকে ম্যাচ ফিক্সিংয়ের জন্য প্রভাবিত করার চেষ্টা করেছিলেন।
তার এই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতেই আদালত রায় ঘোষণা করেন। শ্রীলঙ্কায় ক্রীড়াক্ষেত্রে দুর্নীতি দমনে ২০১৯ সালে একটি কঠোর আইন কার্যকর করা হয়। ওই আইনের মূল লক্ষ্য ছিল ক্রিকেটসহ বিভিন্ন খেলায় ম্যাচ ফিক্সিং, অবৈধ বেটিং এবং অনৈতিক প্রভাব খাটানোর মতো কর্মকাণ্ড ঠেকানো।
রায়ে আদালত বলেন, খেলাধুলার স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা রক্ষায় এ ধরনের কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসে ২০২৪ সালে। ডাম্বুলা থান্ডার্সের এক ক্রিকেটার কর্তৃপক্ষকে জানান, তামিম তাকে ফিক্সিংয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন। অভিযোগ পাওয়ার পর তদন্ত শুরু করে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।
তদন্তের মধ্যেই দুবাইগামী বিমানে ওঠার সময় কলম্বো বিমানবন্দর থেকে তামিমকে গ্রেপ্তার করা হয়। কয়েক সপ্তাহ কারাগারে থাকার পর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এই মামলায় ডাম্বুলা থান্ডার্সের টিম ম্যানেজার মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধেও অভিযোগ আনা হয়েছে।
পাকিস্তানি নাগরিক মুজিবুর রহমানের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত—এমন তথ্যও জানা গেছে। এই রায়ের মাধ্যমে শ্রীলঙ্কা স্পষ্ট করে জানিয়ে দিল, ক্রীড়াঙ্গনে ম্যাচ ফিক্সিং ও দুর্নীতির প্রশ্নে কোনো ধরনের ছাড় দেবে না তারা।