শেফালি ভার্মার দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশকে বড় লক্ষ্য দিয়েছিল ভারত। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত অপরাজিত থেকে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেন শেফালি। ৪৯ বলে তিনটি চার ও নয়টি ছক্কায় ১০০ রান করেন তিনি। তার ব্যাটে ভর করেই ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ১৯৫ রান সংগ্রহ করে ভারত।
উদ্বোধনী জুটিতে শেফালির সঙ্গে ৭২ রান যোগ করেন স্মৃতি মান্ধানা। ১৯ বলে ৩৭ রান করে ফেরেন তিনি। তবে আউট হওয়ার আগে মেয়েদের আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক হয়ে যান মান্ধানা। নিউজিল্যান্ডের সুজি বেটসকে ছাড়িয়ে তার রান এখন চার হাজার ৭৮৮। এরপর গুনালান কামালিনি ১০ বলে ৩ রান করে ফিরলেও শেফালি ছিলেন অবিচল।
অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌরও শেফালির সঙ্গে বড় জুটি গড়েন। ৩৩ বলে ৪০ রান করে তিনি ফিরলে ১৭৯ রানে তৃতীয় উইকেট হারায় ভারত। এরপরও বাংলাদেশের বোলারদের ওপর চাপ ধরে রাখেন শেফালি। শেষ দিকে রিচা ঘোষ ২ রান করে ফিরলেও শেফালির সেঞ্চুরিতে বড় সংগ্রহ পায় ভারত। তার সঙ্গে ৪ বলে ৯ রান করে অপরাজিত থাকেন ভারতি ফুলমালি।
জবাবে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরু থেকেই ভারতের বোলারদের সামনে অসহায় হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। ৪৯ রানেই পাঁচ উইকেট হারায় তারা। জুয়াইরিয়া ফেরদৌস ও রাবেয়া খান রানের খাতা খোলার আগেই বিদায় নেন। একের পর এক উইকেট হারিয়ে দ্রুতই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় বাংলাদেশের মেয়েরা।
দলের হয়ে দুই অঙ্কের ঘরে রান করতে পেরেছেন মাত্র তিনজন। দিলারা আক্তার সর্বোচ্চ ২৭ রান করেন। শারমিন আক্তার করেন ১০ এবং সুলতানা খাতুন করেন ১২ রান। বাকিদের কেউই দুই অঙ্ক ছুঁতে পারেননি। শেষ পর্যন্ত ১০০ রানও করতে পারেনি বাংলাদেশ, থেমে যায় ৮১ রানেই।
ভারতের হয়ে বল হাতে সবচেয়ে সফল ছিলেন নন্দানি ও দীপ্তি শর্মা। দুজনেই নেন তিনটি করে উইকেট। শ্রী চরণি নেন দুটি উইকেট। এ ছাড়া ক্রান্তি গৌদ ও শ্রেয়াঙ্কা পাতিল একটি করে উইকেট পান।
এই জয়ে এশিয়ান গেমসের ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে ভারত। আগামী ২২ সেপ্টেম্বর একই মাঠে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে শিরোপার লড়াইয়ে নামবে তারা।