ওভালে রান তাড়ায় ইনিংসের প্রথম দুই ওভারেই ২১ রান তোলেন সাইফ ও নাইম। যেখানে ১৮ রানই ছিল সাইফের। নাইম খানিকটা দেখেশুনেই খেলছিলেন। পাওয়ার প্লের শেষের দিকে আবারও ঝড় তোলেন সাইফ। তাদের দুজনের ব্যাটে পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৬৩ রান তোলে বাংলাদেশ। সিমন্ডসের বলে লং অফে ঠেলে দিয়ে ৪০ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন সাইফ।
ইনিংসের ১৫তম ওভারে বাংলাদেশের ৯২ রানের উদ্বোধনী জুটি ভাঙেন সিমন্ডস। বাঁহাতি স্পিনারের অফ স্টাম্পে পড়ে টার্ন করে বেরিয়ে যাওয়া ডেলিভারিতে ডাউন দ্য উইকেটে এসে ড্রাইভ করতে চেয়েছিলেন সাইফ। তবে ব্যাটে-বলে করতে না পারায় স্টাম্পিং হতে হয়েছে ৫৩ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলা ডানহাতি ওপেনারকে। তিনে নেমে সুবিধা করতে পারেননি পারভেজ হোসেন ইমন।
সিমন্ডসের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়ে ফিরেছেন ১৭ রানে। তবে শেপো মোরেকির বলে চার মেরে ৭০ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন নাইম। সাইফের মতো তিনিও হাফ সেঞ্চুরির পর ফিরেছেন। ৭৭ বলে ৬০ রানের ইনিংস খেলেছেন নাইম। পরবর্তীতে নুরুল হাসান সোহান ১৬ রান করলে ম্যাচ জিতে নেয় বাংলাদেশ। সাউথ আফ্রিকার হয়ে তিনটি উইকেট নিয়েছেন সিমন্ডস।
এর আগে টস জিতে বোলিংয়ে নেমে ইনিংসের ষষ্ঠ ওভারেই বাংলাদেশকে উইকেট এনে দেন মুশফিক হাসান। ডানহাতি পেসারের অফ স্টাম্পের বাইরের বলে ড্রাইভ করতে গিয়ে মিড অফে ক্যাচ দিয়েছেন রিভালদো মুনস্যামি। একটু পর জুবাইর হামজাকে ফেরান আলিস। ডানহাতি স্পিনারের টার্ন করে ভেতরে ঢোকা ডেলিভারিতে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন সাউথ আফ্রিকান ওপেনার। সিনেথেম্বা কিশলেকে থিতু হতে দেননি আলিস।
মিস্ট্রি স্পিনারের ফুলার লেংথ ডেলিভারিতে বলের লাইন মিস করে বোল্ড হয়েছেন তিনি। পরের বলে ম্যাথু ডি ভিলিয়ার্সকেও ফেরান আলিস। দারুণ এক ডেলিভারিতে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলেন ডানহাতি এই স্পিনার। ৫৩ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে সাউথ আফ্রিকা। সেখান থেকে দলকে এগিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন মার্কাস অ্যাকারম্যান। তবে তাকে সঙ্গ দিতে পারেননি মিলালি।
ড্যান ফরেস্টারও রানের দেখা পাননি। তবে সাবধানী ব্যাটিংয়ে হাফ সেঞ্চুরি পেয়েছেন অ্যাকারম্যান। ৬৭ বলে ৫৪ রানের ইনিংস খেলা অ্যাকারম্যানকে ফেরান রিশাদ। ডানহাতি স্পিনারের বলে লেগ বিফোর উইকেট হয়েছেন তিনি। শেষের দিকে ৫৩ বলে ৪৩ রানের ইনিংস খেলেছেন ইমরান মানাক। তবে বাকিদের ব্যর্থতায় ১৮২ রানে অল আউট হয়েছে সাউথ আফ্রিকা। বাংলাদেশের হয়ে রিশাদ ৪৫ রানে চারটি ও আলিস ৩৫ রানে তিনটি উইকেট নিয়েছেন।