রবিউল হাসান অনিকের হাফ সেঞ্চুরিতে ৪৮.৪ ওভারে স্কোরবোর্ডে ২২৬ রান তোলে যুবারা। টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ওপেনিং জুটিতে ৪০ রান তোলে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের দুই ওপেনার আব্দুল্লাহ আল মুহি এবং জারিফ সিয়াম। ২৩ বলে ১৯ রান করা জারিফকে বিদায় করেন শেখ পারভেজ জীবন। এর এক বল পর আদ্রিতকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন তিনি।
দলীয় ৮৪ রানে ফিরে যান ৪০ রান করা মুহি। তাকে বোল্ড করেন মাহফুজুর রাব্বি। ১২১ রানের মধ্যে আরও দুই উইকেট হারায় দলটি। ২৫ বলে ১৩ রান করা ফরিদ হাসান ফয়সাল রান আউটে কাটা পড়েন। ৫৬ বলে ৩৭ রান করা আহসান আল মুমিনকে বিদায় করেন আহরার আমিন পিয়ান।
তারপর ৫৪ রানের জুটি গড়েন রবিউল হাসান অনিক এবং ফারহান সাদিক। ২৬ বলে ২৯ রান করা সাদিককে বোল্ড করে এই জুটি ভাঙেন আজিজুল হাকিম তামিম। শেষ পর্যন্ত ৮২ বলে ৬৫ রানে অপরাজিত থাকেন অনিক।
অনূর্ধ্ব-২৩ দলের হয়ে ৩৮ রান খরচায় তিনটি উইকেট নেন শেখ পারভেজ জীবন। দুটি করে উইকেট নেন তামিম এবং পিয়ান। একটি উইকেট নেন রাব্বি।
লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ৫২ রানে প্রথম উইকেট হারায় অনূর্ধ্ব-২৩ দল। ২৮ বলে ৩৪ রান করে আব্দুর রহিম ফিরে যান। এরপর ৮০ রানের মধ্যে জাওয়াদ আবরারকেও ফেরান রবিউল হাসান অনিক। ৩০ বলে ২৬ রান করেন জাওয়াদ।
তারপর ১১২ থেকে ১৬৭ রানের মধ্যে আরো চারটি উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে অনূর্ধ্ব-২৩ দল। আজিজুল ২৮, মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ ৪, কালাম সিদ্দিকি ৩২ এবং আহরার আমিন পিয়ান ২৫ রানে ফিরে যান। সেখান থেকে দলকে টেনে তোলেন রিজান। মাহফুজুর রাব্বির সঙ্গে ৪৬ রানের জুটি গড়েন তিনি।
তাফিউল আলম তামিম অবশ্য রিজানকে ফিফটি করতে দেননি। এর আগেই তাকে এলবিডব্লিউর ফাঁদে ফেলেন। ৭৫ বলে ৪৪ রান আসে রিজানের ব্যাটে। ২১৫ রানের মধ্যে ফিরে যান ২৬ বলে ১৬ রান করা মাহফুজুর রাব্বিও।
শেষদিকে ১২ বলে ৮ রান দরকার ছিল অনূর্ধ্ব-২৩ দলের। চাপে পড়া ম্যাচটি আর বের করতে পারেনি দলটি। ৪৯.৩ ওভারে ২২২ রানে অল আউট হয় দলটি। অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ৫২ রান খরচায় ৪ উইকেট নিয়ে ম্যাচ সেরা হন আব্দুর রহিম। দুটি করে উইকেট নেন আল রাফি এবং তাইফুল।