সাকিব আল হাসানের পর দ্বিতীয় বাংলাদেশি হিসেবে কাউন্টি ক্রিকেটে অভিষেক হয়েছে হাসানের। কদিন আগে ল্যাঙ্কাশায়ারের সঙ্গে অভিষেকেই ৯ উইকেট নিয়েছিলেন তিনি। যেখানে দ্বিতীয় ইনিংসে বাংলাদেশের পেসার ৬৯ রানে নিয়েছিলেন ৬ উইকেট। দ্বিতীয় ম্যাচে মিডলসেক্সের বিপক্ষে নিয়েছিলেন ৩ উইকেট।
দুই ম্যাচে ১২ উইকেট নেওয়ার পর জাতীয় দলের হয়ে খেলতে জিম্বাবুয়ে সফরে গেছেন হাসান। পরবর্তীতে আরও চারটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে তার। কাউন্টি ক্রিকেটে আলো ছড়িয়ে টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে সুযোগ পেয়েছেন ডানহাতি এই পেসার। কেন্টের হয়েই তিনটি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে। বিসিবি থেকে এনওসি পেলে প্রথমবারের মতো টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে দেখা যাবে তাকে।
টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে সুযোগ পেয়ে হাসান বলেন, ‘এখনো পর্যন্ত কেন্টের হয়ে সময়টা আমি বেশ উপভোহ করেছি এবং যখনই আমার কাছে আবারও ফেরার সুযোগ এসেছে ও টি-টোয়েন্টি ব্লাস্টে অবদান রাখার সুযোগ এসেছে আমি একবারের জন্যও ভাবিনি। গুরুত্বপূর্ণ তিনটা ম্যাচ আছে এবং কেন্টকে নক আউট পর্বে কোয়ালিফাই করার জন্য আমি আমার সেরাটা দিব।’
‘ব্যক্তিগত দিক থেকে কেন্টকে ধন্যবাদ দিব আমার উপর বিশ্বাস রাখার জন্য। বিশ্বের অন্যতম সেরা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট পারফর্ম করার জন্য এটা দারুণ একটা সুযোগ। আশা করছি, এখানে ভালো করে সাদা বলের ক্রিকেটে আমার ফেরার পথটাও সুগম করতে পারব।’
৫ জুলাই কেন্টের প্রতিপক্ষ হ্যাম্পশায়ার হকস। ১০ জুলাই তারা খেলবে সারের বিপক্ষে। মিডলসেক্সের বিপক্ষে কেন্ট মাঠে নামবে ১২ জুলাই। এই তিনটি ম্যাচেই কেন্টের জার্সিতে দেখা যাবে হাসানকে।