সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ৬ উইকেটে ২৮৯ রান নিয়ে তৃতীয় দিন সকালে ব্যাটিংয়ে নামেন নাকভি ও মাসেকেসা। দলের রান তিনশ হওয়ার আগেই মাসেকেসাকে হারায় সফরকারীরা। তবে মাইকেল ফ্রোর্স্টকে সঙ্গে নিয়ে জিম্বাবুয়েকে টানেন নাকভি। ৩৪ বলে ২৪ রান করে ফেরেন মাইকেল।তবে দুর্দান্ত ব্যাটিংয়ে ১৬৯ বলে সেঞ্চুরি করেন নাকভি। সেঞ্চুরি ছোঁয়ার পরই ৮ উইকেটে ৩৫৭ রান নিয়ে ইনিংস ঘোষণা করে জিম্বাবুয়ে। বাংলাদেশের হয়ে তিনটি করে উইকেট পেয়েছেন মুশফিক হাসান ও আনামুল হক।
প্রথম ইনিংসে জবাব দিতে নেমে শুরুটা ভালো করতে পারেনি বাংলাদেশ। ইনিংসের চতুর্থ ওভারেই ফেরেন শাহাদাত হোসেন দিপু। ১৩ বলে ১৬ রান করে আউট হয়েছেন মাপোসার বলে। একটু পর ফেরেন ইফতেখার হোসেন ইফতিও। ১৯ বলে ১০ রান করা বাঁহাতি ব্যাটারকেও ফেরান মাপোসা। ৩৮ রানে ২ উইকেট হারানোর পর আশিকুর রহমান শিবলী ও প্রিতম কুমার মিলে জুটি গড়ার চেষ্টা করেন।
যদিও তাদের দুজনের জুটি খুব বেশি বড় হতে দেননি মাপোসা। ২৭ বলে ১৭ রান করা প্রিতমকে লেগ বিফোর উইকেটের ফাঁদে ফেলে জুটি ভাঙেন। সাবধানী ব্যাটিংয়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে দলকে টেনে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন আশিকুর। তবে তাকে হাফ সেঞ্চুরি করতে দেননি মাসেকেসা। ৭ চারে ৮৯ বলে ৩৮ রান করে আউট হয়েছেন ডানহাতি এই ওপেনার। সুবিধা করে উঠতে পারেননি আফিফ হোসেনও।
আফিফ ১৬ রান করে আউট হয়েছেন মাসেকেসার বলে। আশরাফুল হাসান করেন মাত্র এক রান। ব্যাটারদের ব্যর্থতায় ১৫০ রানে ৬ উইকেট হারায় স্বাগতিকরা। বাকিদের ব্যর্থতার মাঝেও ১০১ বলে হাফ সেঞ্চুরি করেন জাকের। যদিও পঞ্চাশ ছোঁয়ার পর বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি তিনি। ৭ চার ও ১ ছক্কায় ১২২ বলে ৬১ রান করে আউট হয়েছেন। আনামুলের ৬৭ বলে অপরাজিত ২৩ রানের কল্যাণে দুইশ ছুঁয়েছে বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়ের হয়ে মাপোসা তিনটি ও মাসেকেসা নিয়েছেন চারটি উইকেট।