অধিনায়ক হিসেবে শুরুটা ভালো না হলেও ব্যাট হাতে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ছন্দে ছিলেন হৃদয়। নয় ধাপ এগিয়ে ৩০তম স্থানে উঠে এসেছেন তিনি। অন্যদিকে সাইফ ১৩ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৩৫তম স্থানে আছেন। সবচেয়ে বড় সুখবর পেয়েছেন নাসুম। এই বাঁহাতি স্পিনার ২৭ ধাপ এগিয়ে টি-টোয়েন্টি বোলারদের তালিকায় ১১তম স্থানে উঠে এসেছেন। এটি তার ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সেরা র্যাঙ্কিং। এর আগে বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ে দশম স্থানে ছিলেন নাসুম।
বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজ জয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার অধিনায়ক মিচেল মার্শ চার ধাপ এগিয়ে নবম স্থানে উঠেছেন। বোলারদের তালিকায় নাথান এলিস তিন ধাপ এগিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছেন।
এদিকে ওভাল টেস্টে ১১ উইকেট শিকার করে নিউজিল্যান্ডকে সিরিজে ১-১ সমতায় ফেরাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন ৩৪ বছর বয়সী হেনরি। এর ফলে তিনি ৮৭০ রেটিং পয়েন্ট নিয়ে বুমরাহর সঙ্গে যৌথভাবে শীর্ষে উঠে আসেন। ১৯৯০ সালে রিচার্ড হ্যাডলির পর এই প্রথম কোনো নিউজিল্যান্ড বোলার টেস্ট বোলিং র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর স্থানে উঠে এলেন। এর আগে কেবল জ্যাক কাওয়ি ও হ্যাডলি এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন।
অন্যদিকে ওভাল টেস্টে ৪৬ ও ৭৭ রানের ইনিংস খেলে রুট দুই ধাপ এগিয়ে আবারও টেস্ট ব্যাটারদের এক নম্বর স্থানে ফিরে এসেছেন। ক্যারিয়ারে এটি তার ১২তমবার শীর্ষস্থান দখলের ঘটনা। তিনি সতীর্থ হ্যারি ব্রুক ও অস্ট্রেলিয়ার ট্রাভিস হেডকে পেছনে ফেলেছেন।
নিউজিল্যান্ডের ব্যাটারদের মধ্যেও উন্নতি হয়েছে। রাচিন রবীন্দ্র ১০ম, ড্যারিল মিচেল ১৬তম, গ্লেন ফিলিপস ৩১তম এবং হেনরি নিকোলস ৪০তম স্থানে উঠে এসেছেন।
ওয়ানডে র্যাঙ্কিংয়ে ভারতের শুভমান গিল তিন ধাপ এগিয়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছেন। শীর্ষে থাকা ড্যারিল মিচেলের চেয়ে তিনি এখন মাত্র ২৪ রেটিং পয়েন্ট পিছিয়ে আছেন। ভারতের ইশান কিশান ২১ ধাপ এগিয়ে যৌথভাবে ৪৩তম স্থানে উঠেছেন। আফগানিস্তানের অধিনায়ক হাশমতউল্লাহ শহীদিও চার ধাপ এগিয়ে ৫২তম স্থানে জায়গা করে নিয়েছেন।