দুজনে মিলে ৪০ রান যোগ করেন। তামিম ৩২ বলে ১৬ রান করে আউট হন। এরপর দ্রুতই ফিরে যান আরেক ওপেনার আরিফুল ইসলাম। যদিও দিপু ৭১ বলে ৬১ রান করে অপরাজিত থাকেন শেষ পর্যন্ত ইনিংস জুড়ে ৮টি চার মেরেছেন তিনি। শেষদিকে নেমে ৪০ বলে ২৪ রান করে অপরাজিত ছিলেন শামীম মিয়া।
ইনিংসের মাঝ পথেই বৃষ্টির কবলে পড়ে প্রাইম ব্যাংক। এরপর আর ব্যাটিংয়ে নামতে পারেনি দলটি। শেষ পর্যন্ত বৃষ্টি আইনে জয়ী ঘোষণা করা হয় প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে। রূপগঞ্জের হয়ে একটি করে উইকেট নেন শেখ মেহেদী ও সামিউন বশির রাতুল।
এর আগে এই ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় রূপগঞ্জ। ওপেনিং জুটিতেই হাবিবুর রহমান সোহান ও আশিকুর রহমান শিবলি ওপেনিং জুটিতেই গড়েন ৮৭ রানের জুটি। এরপর দুই রানের ব্যবধানে ২ উইকেট হারিয়ে বিপাকে পড়ে দলটি। শিবলি ৩৬ রান করে ফেরার পর।
আইচ মোল্লা আউট হয়েছেন ১ রান করে। ইনিংস বড় করতে পারেননি ইরফান শুক্কুরও। তিনি ১৭ বলে ১৫ রান করে আউট হন। একপ্রান্ত আগলে রেখে খেলতে থাকা সোহান ৫৬ বলে ৬১ রান করেন। তার ইনিংস জুড়ে ছিল ২টি ছক্কা ও ৮টি চারের মার। মাঝের দিকে রূপগঞ্জের হাল ধরেন রাতুল ও চৌধুরী মোহাম্মদ রিজওয়ান।
রাতুল ২৮ ও রিজওয়ান ৩০ রান করেন। এরপর মেহেদীর ১৪ ছাড়া আর কেউই বলার মতো রান করতে পারেননি। ফলে দলটি অল আউট হয়ে যায় নির্ধারিত ৪৮ ওভারের মধ্যেই। প্রাইম ব্যাংকের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট নেন আবু হায়দার রনি। দুটি করে উইকেট নেন আলিস আল ইসলাম ও শামীম। একটি করে উইকেট নেন আবু হাসিম ও এনামুল হক।