চলতি বছরের জুনে ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে তিনটি করে ওয়ানডে এবং টি-টোয়েন্টি খেলবে বাংলাদেশ। সেই সিরিজ শেষে আয়ারল্যান্ড সফর করার কথা ছিল লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, মেহেদী হাসান মিরাজদের। ২০ মার্চ আগামী গ্রীষ্মের সূচি প্রকাশ করেছে আয়ারল্যান্ড। সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের সঙ্গে খেলার কথা থাকলেও তালিকায় ছিল না বাংলাদেশ সিরিজটি।
পরবর্তীতে ক্রিকইফো জানায়, লজিস্টিক ও আর্থিক সীমাবদ্ধতার কারণে সিরিজটি বাতিল করেছে আয়ারল্যান্ড। এমন পরিস্থিতিতে আগামী জুলাই-আগষ্টে অবসর সময় পার করতে হবে বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের। কারণ অস্ট্রেলিয়া সিরিজ শেষে ভারতের জন্য অপেক্ষা করতে হবে প্রায় মাস দেড়েক।
বাংলাদেশ সিরিজ বাতিল করলেও ভারত, আফগানিস্তান ও নিউজিল্যান্ডকে আতিথেয়তা দেবে আইরিশরা। যেখানে মে মাসে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে একটি চারদিনের টেস্ট খেলবে। দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলার জন্য ভারত আয়ারল্যান্ড সফর করবে আগামী জুনে। লিটন-মিরাজদের সঙ্গে সিরিজটি বাতিল করায় আফগানিস্তানের সঙ্গে ম্যাচের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।
নতুন সূচিতে রশিদ খান, মোহাম্মদ নবিদের সঙ্গে পাঁচ ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলবে আয়ারল্যান্ড। ঘরের মাঠে মাত্র ৮টি ম্যাচ থাকায় হতাশ অ্যান্ড্রু বালবির্নি। আয়ারল্যান্ডের টেস্ট অধিনায়ক ইনস্টাগ্রামে লিখেন, ‘মিথ্যা বলব না। সত্যি বলতে এবারের আন্তর্জাতিক গ্রীষ্মে ঘরের মাঠে মাত্র ৮ ম্যাচ খেলব। তাতে আমি খুবই হতাশ।’
আগামী গ্রীষ্মে আয়ারল্যান্ডের ছেলেদের চেয়ে মেয়েরা ঘরের মাঠে বেশি ম্যাচ খেলবে। আগামী মে-জুনে ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবং পাকিস্তানকে নিয়ে একটি ত্রিদেশীয় সিরিজ আয়োজন করবে আয়ারল্যান্ড। এরপর নারী টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে যাবেন মেয়েরা। এ ছাড়া ওয়েস্ট ইন্ডিজের সঙ্গে তিনটি ওয়ানডে এবং ইংল্যান্ডের বিপক্ষে তিনটি ওয়ানডে খেলবে তারা।