আর তাতেই মুস্তাফিজ উঠে এসেছেন সাত নম্বরে। তার রেটিং পয়েন্ট এখন ৬৬৫। সেরা দশে বাংলাদেশের একমাত্র বোলার তিনি। বাংলাদেশের অন্য বোলারদের মধ্যেও এসেছে কিছু পরিবর্তন। রিশাদ হোসেন এক ধাপ এগিয়ে উঠে এসেছেন ১৭ নম্বরে। নাসুম আহমেদ ২৬ নম্বরে আছেন, তার অবস্থান অপরিবর্তিত।
তানজিম হাসান সাকিব এক ধাপ এগিয়ে ৩৫ নম্বরে, তাসকিন আহমেদ এক ধাপ এগিয়ে অবস্থান করছেন ৫৩ নম্বরে। সবচেয়ে বড় উন্নতি করেছেন হাসান মাহমুদ—চার ধাপ এগিয়ে তিনি এখন ৮৫ নম্বরে। বোলারদের র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ চার অবস্থানে কোনো পরিবর্তন হয়নি।
৭৮৭ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে রয়েছেন ভারতের বরুণ চক্রবর্তী। এরপর আছেন যথাক্রমে আফগানিস্তানের রশিদ খান (৭৩৭), শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা (৭০২) এবং নিউজিল্যান্ডের জ্যাকব ডাফি (৬৯১)। এক ধাপ এগিয়ে সেরা পাঁচে উঠে এসেছেন পাকিস্তানের আবরার আহমেদ।
ব্যাটিং র্যাঙ্কিংয়ে অবশ্য বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের জন্য চিত্রটা কিছুটা ভিন্ন। তানজিদ হাসান তামিম এক ধাপ পিছিয়ে এখন ১৮ নম্বরে। পারভেজ হোসেন ইমন এক ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৩৯ নম্বরে। একইভাবে এক ধাপ পিছিয়ে ৪০ নম্বরে আছেন সাইফ হাসান।
এদিকে গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের সঙ্গে যৌথভাবে ৪২ নম্বরে অবস্থান করছেন তাওহীদ হৃদয়। টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক লিটন দাস এক ধাপ পিছিয়ে এখন ৪৭ নম্বরে। জাকের আলী অনিক চার ধাপ পিছিয়ে নেমে গেছেন ৭১ নম্বরে। ডিসেম্বরের পর থেকে এখনও আন্তর্জাতিক কোনো ম্যাচ খেলেনি বাংলাদেশ। তবে অন্য দলগুলো ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছে। আর তার প্রভাব পড়েছে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের র্যাঙ্কিংয়েও।