ফতুল্লা স্টেডিয়ামের অবস্থা দেখে আমার কান্না চলে আসছে: বুলবুল

ছবি: ক্রিকফ্রেঞ্জি

বছর কয়েক আগে ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের (ডিপিএল) বেশ কয়েকটি ম্যাচ আয়োজন করেছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। তুলনামূলক নিচু জায়গায় মাঠ হওয়ায় বৃষ্টির মৌসুমে খেলা যায় না এখানে। অনেকটা পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে আছে আন্তর্জাতিক মর্যাদাপ্রাপ্ত স্টেডিয়ামটি। প্রবেশ গেটের পাশে ময়লার স্তূপ, মেন্ট্রি বক্স ও অন্যান্য স্থাপনার গ্লাসগুলোও ভাঙাচোরা।
স্কুল থেকে নতুন সাকিব-তামিমদের খুঁজে বের করতে চান বুলবুল
২৮ আগস্ট ২৫
এ ছাড়া কদিন আগে পরিচর্যার অভাবে কাশফুলের গাছও হতে দেখা গেছে। স্টেডিয়ামটিকে পুরোদমে ব্যবহার করতে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নিলেও কাজ এগোয়নি সেভাবে। নারায়ণগঞ্জ সদরের ইসদাইর এলাকায় জেলা ক্রীড়া কমপ্লেক্সে নারায়ণগঞ্জ জেলা ক্রীড়া সংস্থার উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্রিকেট ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড আইডিয়া’ অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন আমিনুল ইসলাম বুলবুল। নারায়ণঞ্জ সফরের অংশ হিসেবে ফতুল্লার স্টেডিয়ামও দেখতে গিয়েছিলেন তিনি। যেখানে গিয়ে মাঠের করুণ অবস্থা দেখে হতাশ হয়েছেন বিসিবি সভাপতি।
এ প্রসঙ্গে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বুলবুল বলেন, ‘নারায়ণগঞ্জ আমাদের জন্য আইডল ছিল। কেননা এখানের ক্রিকেটের ইতিহাস বেশ বড়। আমি যখন নিজেই ক্রিকেট খেলা শিখছিলাম, তখন নারায়ণগঞ্জের সঙ্গে আমার এক সুসম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। তখন এখানে বিভিন্ন লিগ অনুষ্ঠিত হতো। নারায়ণগঞ্জের বিভিন্ন ক্লাবে তখন খেলা হতো। নারায়ণগঞ্জের অসংখ্য খেলোয়াড় ঢাকায় গিয়ে খেলতো।’

মনোবিদ স্কটের বিকল্প খুঁজছে বিসিবি
১১ ঘন্টা আগে
‘এখনো নারায়ণগঞ্জে ক্রিকেটের প্রতি যে আগ্রহ দেখলাম, তাতে আমি ভীষণ আনন্দিত। এখানে আসার আগে আমি ফতুল্লা স্টেডিয়ামে গিয়েছিলাম। স্টেডিয়ামটির করুণ অবস্থা দেখে আমার কান্না চলে আসছে। এখানে একসময় অসংখ্য জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ম্যাচ অনুষ্ঠিত হতো। অথচ এই মাঠটির অবস্থা বর্তমানে অত্যন্ত করুণ।’
ঢাকা কেন্দ্রিক ক্রিকেটকে সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে চান বুলবুল। বিসিবি সভাপতি হয়েই চট্টগ্রাম, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, রংপুরের মতো শহরে ঘুরে সমস্যা খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন তিনি। দেশের ক্রিকেটকে সারা দেশে ছড়িয়ে দেয়ার অংশ হিসেবে নারায়ণগঞ্জেও উন্নতি করতে চান। নারায়ণগঞ্জে যাতে সারা বছর খেলা হয় এজন্য অন্তত ২০টা উইকেট ও একটি ইনডোর স্টেডিয়াম বানাতে চান বুলবুল।
এ প্রসঙ্গে বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘খেলোয়াড়দের জন্য আরো সুযোগ সুবিধা দরকার। এখানে এসে ৩টা উইকেট দেখতে পেলাম। আমাদের পরিকল্পনা এখানে অন্তত ২০টা উইকেট বানানোর। আমাদের সময় বছরের নির্দিষ্ট সময় ক্রিকেট খেলা হতো। এখন ১২ মাসই খেলা হয়। আমাদের খেলোয়াড়দের সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর পাশাপাশি কোচিং সুযোগ সুবিধা বাড়ানোর চেষ্টা করবো।’
তিনি আরও যোগ করেন, ‘ক্রিকেট জীবনের ছোট্ট একটি অংশ। আমার সামনে আজ ভবিষ্যতের ক্রিকেটাররা বসে আছেন। আমি জানি এখানে সম্ভাবনাময় অনেক খেলোয়াড় আছে, যারা আগামী দিনের তামিম, সাকিব হবে। আমার ইচ্ছা নারায়ণগঞ্জে একটি ইনডোর স্টেডিয়াম করার। তাহলে ক্রিকেট খেলোয়াড়রা সবসময় খেলার মধ্যে থাকতে পারবেন।’