7192 পঠিত

সাক্ষাৎকার

ধৈর্য ধরতে শিখছেন নাঈম

blank জুবাইর
২৮ এপ্রিল, ২০১৯ | আপডেট: ২৮ এপ্রিল, ২০১৯
blank জুবাইর
ধৈর্য ধরতে শিখছেন নাঈম
ছবিঃ সংগৃহীত A-A+

|| ক্রিকফ্রেঞ্জি করেসপন্ডেন্ট ||

সদ্য সমাপ্ত ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক মোহাম্মদ নাঈম শেখ ধাপে ধাপে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সিঁড়ি পেয়ে ওপরে উঠছেন। ২০১৮ অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপের পর গত বছরের ঢাকা লীগ দিয়ে লিস্ট ‘এ’ অভিষেক হয় নাঈমের। লিজেন্ডস অব রূপগঞ্জের হয়ে প্রথম আসরেই নিজের আগমনী বার্তা জানান দেন এই বাঁহাতি ওপেনার। টপ অর্ডারে ব্যাট করে সেঞ্চুরি না পেলেও বেশ কিছু লম্বা ফিফটির দেখা পেয়েছিলেন। তবে বড় ইনিংসের দাবি মেটাতে পারেননি ১৯ বছর বয়সী নাঈম। এবারের আসরে আরও বিকশিত নাঈমকে দেখা গেল। তেড়েফুঁড়ে শট খেলে আউট না হয়ে ধৈর্য ধরে বড় ইনিংস খেলার চেষ্টায় সফল হয়েছেন তিনি। সম্প্রতি ক্রিকফ্রেঞ্জির সাথে নিজের ব্যাটিংয়ের আমুল পরিবর্তন নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেছেন মোহাম্মদ নাঈম শেখ।

পাঠকদের জন্য সাক্ষাৎকারটি তুলে ধরা হল।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ গত ঢাকা প্রিমিয়ার লীগে ৫৫৬ রান, এবার ৮০৭ রান... পর পর দুইবার প্রিমিয়ার লীগ ভালো গেল আপনার, নিজের পারফর্মেন্সকে কিভাবে মূল্যায়ন করবেন?

নাঈমঃ ভালোর তো শেষ নেই। খুশি হওয়ার তেমন কিছু নেই। আমার মনে হয় ব্যাটিংয়ে উন্নতি আনার আরও অনেক জায়গা আছে। আমি আরও বেশি রান করতে পারতাম, ছোট ছোট ভুলের জন্য সেটা হয়নি। আর আমি ব্যাটিং নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করি না। এত খুশি হওয়ারও কিছু নেই। আমি মনে করি আমি চেষ্টা করলে আরও ভালো ব্যাটসম্যান হতে পারব।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ গতবার কোনো সেঞ্চুরি পান নি, এবার মোট তিনটি সেঞ্চুরি এসেছে। বড় ইনিংস খেলার ক্ষেত্রে কি কি পরিবর্তন এনেছেন?

নাঈমঃ গত বছর মনে হয় চারটি ৮০+ রানের ইনিংস ছিল। একশ হয় নি, যখন নিজের পারফর্মেন্স দেখতাম, তখন নিজের কাছে খুব খারাপ লাগত যে একশ করতে পারি নি। খুব আফসোস হত। ৩০-৪০ করেও অনেক গুলো ম্যাচে আউট হয়েছে। এগুলো খারাপ লাগত। চিন্তা করতাম, একটু যদি চেষ্টা করতাম তাহলে সেঞ্চুরি হতে পারত। আমি অনেক চিন্তা করে দেখেছি, আমার ধৈর্যে সমস্যা ছিল। আমি চিন্তা করে দেখেছি যে, এখানে উন্নতি আনতে পারলে আমি বড় ইনিংস খেলতে পারব।

ফিটনেসের একটা ব্যাপার আছে। আর মানসিকভাবে, ৮০ হওয়ার পর আমি ধৈর্য হারিয়ে ফেলতাম। তেড়েফুঁড়ে শট খেলে আউট হয়ে গিয়েছিলাম বেশ কয়েকবার। এই ছোটোখাটো ভুল গুলো ঠিক করার পর আমার মনে হয় এবার তিনটা সেঞ্চুরি করতে পেরেছি। এবার দলের হয়ে আমি বড় কন্ট্রিবিউশন করেছি, যার কারণে টিম এগিয়ে ছিল। আমার টিমমেটরাও খুব খুশি। আমি গতবছরের ভুল গুলো ঠিক করেছি।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ খুব দ্রুত নিজের ভুল ধরতে পেরেছেন, সেই অনুযায়ী কাজ করে সফল হয়েছেন, এই দিক থেকে অবশ্যই সন্তুষ্টি কাজ করছে?

নাঈমঃ হ্যাঁ, এটা আমার কাছে মনে হয়েছে, আমি গত বছর যেই ভুল গুলো করেছি, সেগুলো নিয়ে চিন্তা করেছি। এরপর সেটা নিয়ে কাজ করেছি। তারপর সফলতা এসেছে। এটার জন্য আমি একটু খুশি। আমার চিন্তা ভাবনা ক্রিকেট নিয়েই থাকে। আমার এবার কি ভুল গুলো ছিল, কি কি করলে আরও ব্যাটিং ভালো হতে পারত, দলকে কিভাবে আরও বেশি রান দিতে পারতাম, এইসব নিয়ে চিন্তা করেছি। গত বছর থেকে এবার ভালো হয়েছে। সামনেরবার চিন্তা করব আরও ভালো কিছু করার। এত রান করতে পারব কিনা সেটা নিশ্চিত না। তবে আরও ভালো ব্যাটিং করা, প্রক্রিয়াটা ঠিক রাখার চেষ্টা করব। আমি এর থেকে আরও পরিচ্ছন্ন ইনিংস খেলতে চাইব।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ আপনি সোজা ব্যাটে খেলতে পছন্দ করেন। এটাই আপনার সহজাত ব্যাটিং স্টাইল নাকি তৈরি করতে হয়েছে?

নাঈমঃ আমি যখন ব্যাটিং শুরু করি, আমার কোচ আমাকে এভাবেই শিখিয়েছে। আমি সবসময় সোজা ব্যাটে খেলে আসছি। অনূর্ধ্ব-১৯ এর কোচ, নির্বাচকরা সবাই একটা কারণেই পছন্দ করত, কারণ আমি সোজা ব্যাটে ব্যাটিং করতাম। আমি অনেক উপভোগ করি বিষয়টা। যখন সেট হয়ে যাই, তখন রানের জন্য এদিক ওদিক তো খেলতে হয়ই।

আমি আমার পরিকল্পনার বাইরে যতবার গিয়েছি, ততবার আউট হয়েছি। এবার আমি আমার পরিকল্পনার বাইরে যাই নি, চিন্তা করেছি আউট হলে পরিকল্পনার মধ্যে থেকে আউট হব, কোনো সমস্যা নেই।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ এবারের প্রিমিয়ার লীগে আপনার স্ট্রাইক রেট ছিল চোখে পড়ার মতন। প্রায় একশ স্ট্রাইক রেটে খেলেছেন। বাউন্ডারির সাথে সিঙ্গেলের ওপর জোর দিতে দেখা গেছে এবার।

নাঈমঃ গত বছর মনে হয় আশি স্ট্রাইক রেটে খেলেছি। এবার ৯৪+ ছিল মনে হয়। আমি ৩০-৪০ রান করলেও দেখা যেত ছয়-সাতটা বাউন্ডারি থাকত। বাউন্ডারিতেই আমার রান হয়ে যেত, কিন্তু সিঙ্গেল বের করতে পারতাম না, আটকে যেতাম। জাতীয় দলের বোলাররা বল করলে দেখা যেত তো...ফিল্ড সেট আপ খুব ভালো থাকত। আমার সিঙ্গেল বের হত না। পরিকল্পনা খুব ভালো ছিল না।

এরপর নাইম ভাই বলেছিলেন যে, তুমি এটার ওপর কাজ করতে পার। তাহলে উন্নতি হবে, রান বাড়বে। গতবার মুশফিক ভাই ছিল, এবার আবার সৌরভ ভাই আসার পর উনার ব্যাটিং দেখেছি। তিন-চারটা ম্যাচ যাওয়ার পর দেখেছি যে স্ট্রাইক রেট ঠিকই আছে। পরিকল্পনায় থাকার পর যখন দেখলাম স্ট্রাইক রেট ঠিকই আছে, এরপর আমি অন্য কিছু চিন্তাই করি নি। ওইটা আমি মাথাই নেই নি। যতগুলো ম্যাচ খেলেছি, টি-টুয়েন্টি সহ, আমি চিন্তা করেছি যে পরিকল্পনায় থাকলে আমার স্ট্রাইক রেট ঠিক থাকবে।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ ব্যক্তিগতভাবে কোন কোন জায়গায় কাজ করার বাকি আছে বলে মনে করেন আপনি?

নাঈমঃ প্রথমেই বলব, আমি যেই ম্যাচ গুলোয় ফিফটি করে আউট হয়েছি... আমি যদি ধৈর্য নিয়ে একটু কাজ করা যাই, তাহলে তিনটা একশ'র জায়গায় আরও বেশিও হতে পারত। আমার ধৈর্যের জায়গাটা ঠিক থাকলে হয়তো আমি আরও ভালো ইনিংস খেলতে পারতাম।

আরেকটা জিনিস হচ্ছে যে আমার ব্যাল্যান্স। আমার ব্যালান্স যদি ঠিক থাকে তাহলে যত জোরের বলই হোক, আমি সহজে মানিয়ে নিতে পারব। স্পিনের বিপক্ষে যেভাবে ব্যাট করছি, সেই দিক থেকে আমি খুশি। আর পেস বলে ব্যাল্যান্সের দিকে যদি আরও মনযোগী হই, তাহলে আরও ভালো ব্যাটিং করতে পারব।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ এবার বিপিএল খেললেন প্রথমবারের মত, এরপর ঢাকা লীগে এমন পারফরমেন্সে। বিপিএল প্রিমিয়ার লীগে ভালো খেলতে সাহায্য করেছে?

নাঈমঃ আমার ভালো খেলার পেছনে ঢাকা ডাইনামাইটস দলের সাথে থাকা অনেক বড় কারণ। সেখানে ভালো ভালো বোলাররা ছিল, প্লেয়াররা ছিল। ওদের থেকে টুকিটাকি সাহায্য পেয়েছি, যেগুলো আমার অনেক কাজে লেগেছে। অনেক বড় বড় প্লেয়ার, কোচ ছিল। পুরো বিপিএলটা আমার জন্য ভালোই কেটেছে।

যদিও আমি আমার জায়গায় খেলতে পারি নি। যেখানে দল সুযোগ দিয়েছে সেখানে চেষ্টা করেছি, সফল হই নি। কিন্তু ডিপিএলের আগে খুব ভালো প্রস্তুতি ছিল বলা যায়।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ একটু পেছনে যাওয়া যাক, আপনার ক্যারিয়ারের শুরুর গল্পটা বলবেন, কিভাবে ক্রিকেটের হাতেখড়ি।

নাঈমঃ ২০১৫ সালে এইচএসসি ফলাফল যখন খুব খারাপ হয়, তখন মন খুব খারাপ ছিল। তখন আমি খুব ক্রিকেট খেলতাম। তখন থেকেই আমার ক্রিকেট খেলাটা শুরু। এসএসসির পর ক্রিকেট খেলেছি, কিন্তু আমি পেশাদার ক্রিকেটার ছিলাম না। কিন্তু এইচএসসির পর সিরিয়াসলি নেই খেলাটাকে। আমি কখনই ভালো ছাত্র ছিলাম না। শুধু খেলাধুলা করতাম। বন্ধুরা সবাই খুব ভালো ছাত্র, সবাই ভালো জায়গায় পড়াশোনা করছে। আমিই কখনই ভালো ছাত্র ছিলাম না। খেলার প্রতিই সবসময় মনোযোগ ছিল আমার।

এইচএসসির পর আমি প্রথম অনূর্ধ্ব-১৮ ক্রিকেট খেলি। এরপর বিভাগীয় ক্রিকেট খেলেছি। বিভাগীয় ক্রিকেটে আমি তৃতীয় সর্বোচ্চ রান করেছিলাম। আমি সবসময় চিন্তা করেছিলাম সব জায়গায় শীর্ষে থাকব, এমন চেষ্টা সবসময় ছিল আমার মধ্যে। আমার এক বড় ভাই, আশরাফুল আলম আসিফ, তিনি বলেছিলেন, তুই এত কম অনুশীলন করেই প্রথমবার তৃতীয় সর্বোচ্চ রান করলি, ভালো মত অনুশীলন করলে তুই আরও বেশি রান করতে পারবি। সেখান থেকে আমি আরও চেষ্টা করি। আমি যেহেতু তৃতীয় সর্বোচ্চ রান করে আমি অনূর্ধ্ব-১৯ দলে ডাক পাই নি, আমি চেষ্টা করেছি এক নম্বর হওয়ার, যেন সবার আগে আমাকে পছন্দ করে নির্বাচকরা।

এরপর আমি অনূর্ধ্ব-১৮ পর্যায়ে সবচেয়ে বেশি রান করি, বিভাগীয় ক্রিকেটও খেলি। সেখানেও ইচ্ছে ছিল সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হব। তখন আমার সমস্যা ছিল, ৩০-৪০ করে আউট হয়ে যেতাম। আমি একশ করতে পারতাম না। বয়স ভিত্তিক পর্যায়ে নির্বাচকদের নজরে আসতে হলে একশ করতে হয়, ৫০-৬০ করলে হয় না। আমি দুই সেঞ্চুরি আর চার ফিফটিতে অনূর্ধ্ব-১৮ পর্যায়ে সর্বোচ্চ রান করেছিলাম, ৬১৫ রান করেছিলাম। এরপর চ্যালেঞ্জ সিরিজে ডাক পেয়েছিলাম। ওইখানে আবার ১৪৭ রানের ইনিংস খেলেছিলাম, ফিফটি ছিল তিন-চারটা। সেইখানেই সর্বোচ্চ রান স্কোরার ছিলাম। এরপর আমি অনূর্ধ্ব-১৯ এ এসেছি। সেখান থেকে এশিয়া কাপ, বিশ্বকাপ, নেপাল সিরিজ, আফগানিস্তান সিরিজে খেলি। বিশ্বকাপের পর প্রিমিয়ার লীগে খেলেছিলাম।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ আপনার ক্যারিয়ারে খালেদ মাহমুদ সুজনের অবদান কতটুকু?

নাঈমঃ স্যার আমাকে অনেক সাহায্য করেছে। তিনি বিপিএলের সময় আমার ছোট্ট ছোট্ট ভুল গুলো ধরিয়ে দিয়েছে। সেগুলো আমার অনেক কাজে লেগেছে।

ক্রিকফ্রেঞ্জিঃ বাঁহাতি ওপেনার হিসেবে আপনার আইডল কে?

নাঈমঃ আমি কুমার সাঙ্গাকারকে খুব অনুকরণ করি, আর দেশের মধ্যে তামিম ভাই, এই দু'জনকে খুব পছন্দ করি।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

এশিয়া কাপ

এশিয়া কাপ শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানে!

|| ডেস্ক রিপোর্ট || এশিয়া কাপ বাতিলের ব্যাপারে এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের (এসিসি) আনুষ্ঠানিক ঘোষণা এখনও আসেনি। তবে বুধবার বোর্ড অব কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি জানিয়েছিলেন, আসরটি এ বছর

বিস্তারিত
| Cricfrenzy
আপডট:
8883 পঠিত

ভারতীয় ক্রিকেট

শ'য়ের মাঝে শেবাগকে খোঁজেন জাফর

|| ডেস্ক রিপোর্ট || আন্তর্জাতিক অঙ্গণে পা রাখার আগেই প্রশংসা কুড়িয়েছেন ভারতের ওপেনার পৃথ্বী শ। আইপিএলে নজরকাড়া পারফরম্যান্সে ক্রিকেট বোদ্ধাদের প্রশংসা কুড়িয়েছেন তিনি। তরুণ এই ওপেনারের মাঝে এবার বিরেন্দর শেবাগের ছায়া

স্তারিত
4256 পঠিত

পাকিস্তান-ইংল্যান্ড সিরিজ

স্পন্সরের খোঁজে হন্যে পিসিবি, এগিয়ে এলেন আফ্রিদি

|| ডেস্ক রিপোর্ট || বেশ কয়েকদিন ধরেই নতুন স্পন্সরের খোঁজ করছে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি)। কিন্তু এখন পর্যন্ত উপযুক্ত কোম্পানি পায়নি তারা। ফলে আশঙ্কা ছিল আসন্ন ইংল্যান্ড সফরে স্পন্সর ছাড়াই খেলতে হবে বাবর আজম,

স্তারিত
2536 পঠিত

বাংলাদেশ ক্রিকেট

পেস বোলিংয়ে বাংলাদেশের ভরাডুবি

|| ডেস্ক রিপোর্ট || টেস্ট ক্রিকেটে ২০১৮ সালের জানুয়ারি থেকে ২০২০ সালের মার্চ পর্যন্ত সবচেয়ে কম উইকেট নিয়েছেন বাংলাদেশের পেসাররা। এ সময়ে খেলা ১৫টি টেস্টে মাত্র ৪৮টি উইকেট নিতে পেরেছেন আবু

স্তারিত
4329 পঠিত

বাংলাদেশ ক্রিকেট

সমালোচনা নিয়ে ভাবি না: মুস্তাফিজ

|| ডেস্ক রিপোর্ট || ২০১৫ সালের ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে অভিষেক হয় মুস্তাফিজুর রহমানের। প্রথম ম্যাচেই ৫০ রান খরচায় ৫ উইকেট নিয়ে ক্রিকেট বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দেন এই বাঁহাতি পেসার। কিন্তু শুরুতে ঝলক

স্তারিত
2487 পঠিত